ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

বৃষ্টির অভাবে পীরগঞ্জ আমন ধানের ক্ষেতের মাটিতে ফাটল



বৃষ্টির অভাবে পীরগঞ্জ আমন ধানের ক্ষেতের মাটিতে ফাটল

রংপুরের পীরগঞ্জে প্রয়োজনীয় বৃষ্টির অভাবে আমন ধানের ক্ষেতের মাটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। টানা তাপদাহ ও দীর্ঘদিনের অনাবৃষ্টির কারণে উপজেলার অনেক এলাকার ধানগাছ শুকিয়ে লালচে হয়ে গেছে। উপযুক্ত সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে চলতি মৌসুমে আমনের কাঙ্খিত ফলন পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা ও শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। 

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে,পীরগঞ্জের ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এ মওসুমে ২৫ ,৪ ৯৫ হাজার হেক্টও জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। কিন্তু জমিতে চারা রোপণের পর থেকেই কাঙ্খিত বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে ক্ষেতের আর্দ্রতা ধরে রাখতে বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে কৃষকরা পাম্প ও শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচ দিচ্ছে। এতে আমন চাষে তাদের সেচ খরচ গুনতে হচ্ছে, যা উৎপাদন ব্যয় অনেকগুণ বাড়িয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পানির অভাবে অনেক আমন ক্ষেত  শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। রোদের তীব্রতায় পানির অভাবে ধানগাছের পাতা নুয়ে পড়েছে ও বিবর্ণ রূপ ধারণ করেছে। ক্ষেতে পানি ধরে রাখতে না পারায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে সেচ দিচ্ছেন, তবে যেসব প্রান্তিক কৃষকের বাড়তি টাকা খরচ করে সেচ দেওয়ার সামথর্য নেই। তাদের অফ সহ ধানক্ষেত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, আমনের চারা বাড়ন্ত হওয়ার এই সময়ে জমিতে পর্যাপ্ত পানি ও আর্দ্রতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু টানা খরা ও রোদে জমির পানি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। সেচ দিয়েও ক্ষেতের আর্দ্রতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এভাবে অনাবৃষ্টি বজায় থাকলে ধানের ফলন ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা

পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেন,'‘বর্তমানে আমন ক্ষেতের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বৃষ্টির পানি খুবই প্রয়োজন। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত যেসব জমিতে ফাটল ধরছে, সেখানে কৃষকদের হালকা সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। 

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বৃষ্টির অভাবে পীরগঞ্জ আমন ধানের ক্ষেতের মাটিতে ফাটল

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রংপুরের পীরগঞ্জে প্রয়োজনীয় বৃষ্টির অভাবে আমন ধানের ক্ষেতের মাটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। টানা তাপদাহ ও দীর্ঘদিনের অনাবৃষ্টির কারণে উপজেলার অনেক এলাকার ধানগাছ শুকিয়ে লালচে হয়ে গেছে। উপযুক্ত সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে চলতি মৌসুমে আমনের কাঙ্খিত ফলন পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা ও শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। 

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে,পীরগঞ্জের ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এ মওসুমে ২৫ ,৪ ৯৫ হাজার হেক্টও জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। কিন্তু জমিতে চারা রোপণের পর থেকেই কাঙ্খিত বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে ক্ষেতের আর্দ্রতা ধরে রাখতে বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে কৃষকরা পাম্প ও শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচ দিচ্ছে। এতে আমন চাষে তাদের সেচ খরচ গুনতে হচ্ছে, যা উৎপাদন ব্যয় অনেকগুণ বাড়িয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পানির অভাবে অনেক আমন ক্ষেত  শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। রোদের তীব্রতায় পানির অভাবে ধানগাছের পাতা নুয়ে পড়েছে ও বিবর্ণ রূপ ধারণ করেছে। ক্ষেতে পানি ধরে রাখতে না পারায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে সেচ দিচ্ছেন, তবে যেসব প্রান্তিক কৃষকের বাড়তি টাকা খরচ করে সেচ দেওয়ার সামথর্য নেই। তাদের অফ সহ ধানক্ষেত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, আমনের চারা বাড়ন্ত হওয়ার এই সময়ে জমিতে পর্যাপ্ত পানি ও আর্দ্রতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু টানা খরা ও রোদে জমির পানি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। সেচ দিয়েও ক্ষেতের আর্দ্রতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এভাবে অনাবৃষ্টি বজায় থাকলে ধানের ফলন ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা

পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেন,'‘বর্তমানে আমন ক্ষেতের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বৃষ্টির পানি খুবই প্রয়োজন। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত যেসব জমিতে ফাটল ধরছে, সেখানে কৃষকদের হালকা সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। 


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত