যশোরের শার্শায় দুই শিশু সন্তানকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার পর তাদের বাবা নিজেও বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার চটকাপোতা দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু হলো-সাবির (৫) ও জাবির (প্রায় আড়াই বছর)। তাদের বাবা কামাল হোসেন (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত নেদন আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটের দিকে কামাল হোসেনের বাড়িতে দুই শিশুর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। একই বাড়িতে কামাল হোসেনকেও অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার ও কামাল হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টিও আমলে নেয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুই শিশুকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার পর কামাল হোসেন বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন। তবে এটি নিছক পারিবারিক কলহের জেরে ঘটেছে। নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়।
শার্শা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। দুই শিশুর মৃত্যুর পাশাপাশি তাদের বাবার মৃত্যুর বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরের শার্শায় দুই শিশু সন্তানকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার পর তাদের বাবা নিজেও বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার চটকাপোতা দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু হলো-সাবির (৫) ও জাবির (প্রায় আড়াই বছর)। তাদের বাবা কামাল হোসেন (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত নেদন আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটের দিকে কামাল হোসেনের বাড়িতে দুই শিশুর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। একই বাড়িতে কামাল হোসেনকেও অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার ও কামাল হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টিও আমলে নেয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুই শিশুকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার পর কামাল হোসেন বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন। তবে এটি নিছক পারিবারিক কলহের জেরে ঘটেছে। নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়।
শার্শা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। দুই শিশুর মৃত্যুর পাশাপাশি তাদের বাবার মৃত্যুর বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন