নারায়ণগঞ্জে বন্দুক হাতে দুই তরুণের ঘোরাফেরার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় দুই তরুণের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে তাদের আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বন্দুক হাতে দুই তরুণের ঘোরাফেরার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নারায়ণগঞ্জের সিটি পার্কের বিভিন্ন এলাকায় ধারণ করা হয় বলে পুলিশ জানায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় আইসিটি শাখার এসআই (নিঃ) আফজাল শাহীন ও তার দল ভিডিওটি বিশ্লেষণ করে এর নির্মাতা ও ভিডিওতে থাকা তরুণদের শনাক্ত করেন।
পুলিশের দাবি, ভিডিওটির নির্মাতা মোঃ লিমন তোহা (২২), পিতা- মোঃ শামীম আহম্মেদ, মাতা- লাইজু আক্তার, সাং- বন্দর বাজার, কে কে টাওয়ারের পাশে, মসুরের বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা- বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। ভিডিওতে বন্দুক হাতে থাকা অপর তরুণের নাম মোঃ ইয়াছিন মোল্লা (২৩), পিতা- মোঃ স্বপন মোল্লা, মাতা- সাথী মল্লিক, সাং- বন্দর ফায়ার সার্ভিসের গলি, থানা- বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ।
পুলিশ আরও জানায়, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি অভিযানিক দল ২৮ আগস্ট রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের ২ নম্বর রেলগেট এলাকা থেকে তাদের দুজনকে আটক করে।
আটকের সময় তাদের কাছ থেকে শটগান সদৃশ্য প্লাস্টিক শটগান এবং এসএমজি সদৃশ্য প্লাস্টিক এসএমজি পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, খেলনা অস্ত্র হাতে নিয়ে মহড়া দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ৪ ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
পুলিশ বলছে, বিনোদনের নামে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি, পথচারী ও শিশুদের ভয় দেখানো এবং সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খেলনা অস্ত্র হলেও তা ব্যবহার করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা আইনশৃঙ্খলার জন্য গুরুতর বিষয়। এ কারণেই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে বন্দুক হাতে দুই তরুণের ঘোরাফেরার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় দুই তরুণের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে তাদের আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বন্দুক হাতে দুই তরুণের ঘোরাফেরার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নারায়ণগঞ্জের সিটি পার্কের বিভিন্ন এলাকায় ধারণ করা হয় বলে পুলিশ জানায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় আইসিটি শাখার এসআই (নিঃ) আফজাল শাহীন ও তার দল ভিডিওটি বিশ্লেষণ করে এর নির্মাতা ও ভিডিওতে থাকা তরুণদের শনাক্ত করেন।
পুলিশের দাবি, ভিডিওটির নির্মাতা মোঃ লিমন তোহা (২২), পিতা- মোঃ শামীম আহম্মেদ, মাতা- লাইজু আক্তার, সাং- বন্দর বাজার, কে কে টাওয়ারের পাশে, মসুরের বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা- বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। ভিডিওতে বন্দুক হাতে থাকা অপর তরুণের নাম মোঃ ইয়াছিন মোল্লা (২৩), পিতা- মোঃ স্বপন মোল্লা, মাতা- সাথী মল্লিক, সাং- বন্দর ফায়ার সার্ভিসের গলি, থানা- বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ।
পুলিশ আরও জানায়, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি অভিযানিক দল ২৮ আগস্ট রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের ২ নম্বর রেলগেট এলাকা থেকে তাদের দুজনকে আটক করে।
আটকের সময় তাদের কাছ থেকে শটগান সদৃশ্য প্লাস্টিক শটগান এবং এসএমজি সদৃশ্য প্লাস্টিক এসএমজি পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, খেলনা অস্ত্র হাতে নিয়ে মহড়া দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ৪ ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
পুলিশ বলছে, বিনোদনের নামে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি, পথচারী ও শিশুদের ভয় দেখানো এবং সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খেলনা অস্ত্র হলেও তা ব্যবহার করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা আইনশৃঙ্খলার জন্য গুরুতর বিষয়। এ কারণেই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন