মোঃ রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মেছরা ইউনিয়নের সাচালিয়া গ্রামে পুনরায় বিয়ের দাবিতে সাবেক স্বামীর বাড়িতে গত ৭ দিন ধরে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা হলেও বর্তমানে ছেলেটির পরিবার নিরাপত্তা হীনতায় ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর সাচালিয়া গ্রামের সামছুল হকের ছেলে ও ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) ৩য় বর্ষের ছাত্র ইকবাল হাসানের সঙ্গে কামারখন্দ উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আমিনা খাতুনের ৪ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়। ইকবাল হাসানের পরিবারের দাবি, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক এই বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ১০ জুন ইকবাল হাসান স্ত্রীকে তালাকের নোটিশ পাঠান।
তালাকের নোটিশ পাওয়ার পর ২৪ জুন আমিনা খাতুন বাদী হয়ে ইকবাল হাসান ও তার বাড়ির চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা করেন। আদালত আসামিদের জামিন মঞ্জুর করলে নিরাপত্তা শঙ্কায় ২৬ জুলাই আমিনা খাতুনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ১০৭ ধারায় মামলা দায়ের করেন ছেলের বাবা সামছুল হক।
বর্তমানে অনড় অবস্থায় ইকবাল হাসানের বাড়িতে অবস্থান করছেন আমিনা খাতুন। অবস্থান নেওয়া আমিনা খাতুনের বক্তব্য, ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক আমাদের বিয়ে হয়েছিল। এখন সে আর সংসার করতে চায় না। আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই, আমাদের পুনরায় বিয়ে দেওয়া হোক।
অন্যদিকে ডুয়েট ছাত্র ইকবাল হাসান বলেন, আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে চার লাখ টাকা দেনমোহরে রেজিস্ট্রি কাবিন করানো হয়। তার সঙ্গে আমার কোনো পারিবারিক সম্পর্ক ছিল না। তারা আমার ছাত্রজীবন কুলষিত করেছে, আমি এর বিচার চাই।
ইকবাল হাসানের বাবা সামছুল হক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মেয়েটি জোর করে বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে। তার যদি কোনো ক্ষতি হয়, তবে সেই দায় আমাদের ওপর আসবে। তাই আমরা ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে আছি। বিষয়টি পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানার পুলিশকে লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) অবগত করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুন খান জানান, শিক্ষার্থীর বাবা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। সমাধানের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া আইনি মামলার বিষয়টি আদালতেই ফয়সালা হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
মোঃ রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মেছরা ইউনিয়নের সাচালিয়া গ্রামে পুনরায় বিয়ের দাবিতে সাবেক স্বামীর বাড়িতে গত ৭ দিন ধরে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা হলেও বর্তমানে ছেলেটির পরিবার নিরাপত্তা হীনতায় ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর সাচালিয়া গ্রামের সামছুল হকের ছেলে ও ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) ৩য় বর্ষের ছাত্র ইকবাল হাসানের সঙ্গে কামারখন্দ উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আমিনা খাতুনের ৪ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়। ইকবাল হাসানের পরিবারের দাবি, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক এই বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ১০ জুন ইকবাল হাসান স্ত্রীকে তালাকের নোটিশ পাঠান।
তালাকের নোটিশ পাওয়ার পর ২৪ জুন আমিনা খাতুন বাদী হয়ে ইকবাল হাসান ও তার বাড়ির চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা করেন। আদালত আসামিদের জামিন মঞ্জুর করলে নিরাপত্তা শঙ্কায় ২৬ জুলাই আমিনা খাতুনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ১০৭ ধারায় মামলা দায়ের করেন ছেলের বাবা সামছুল হক।
বর্তমানে অনড় অবস্থায় ইকবাল হাসানের বাড়িতে অবস্থান করছেন আমিনা খাতুন। অবস্থান নেওয়া আমিনা খাতুনের বক্তব্য, ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক আমাদের বিয়ে হয়েছিল। এখন সে আর সংসার করতে চায় না। আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই, আমাদের পুনরায় বিয়ে দেওয়া হোক।
অন্যদিকে ডুয়েট ছাত্র ইকবাল হাসান বলেন, আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে চার লাখ টাকা দেনমোহরে রেজিস্ট্রি কাবিন করানো হয়। তার সঙ্গে আমার কোনো পারিবারিক সম্পর্ক ছিল না। তারা আমার ছাত্রজীবন কুলষিত করেছে, আমি এর বিচার চাই।
ইকবাল হাসানের বাবা সামছুল হক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মেয়েটি জোর করে বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে। তার যদি কোনো ক্ষতি হয়, তবে সেই দায় আমাদের ওপর আসবে। তাই আমরা ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে আছি। বিষয়টি পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানার পুলিশকে লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) অবগত করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুন খান জানান, শিক্ষার্থীর বাবা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। সমাধানের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া আইনি মামলার বিষয়টি আদালতেই ফয়সালা হবে।

আপনার মতামত লিখুন