গাজীপুর কাশিমপুর থানাধীন ৫টি মৌজা লস্কর চালা, পানিশাইল, সরাবো , কাশিমপুর , পূর্বে রেকর্ড অনুসারে গোবিন্দ বাড়ি মৌজার ৩০ ধারা চলমান যা নিয়ে চলছে ভূমি জরিপ কার্যক্রম, ভূমি জরিপ হচ্ছে বিগত দিনে আর এস জরিপ চলাকালে জরিপ কর্মকর্তাগণ সিএস ,এস এ রেকর্ডে যে সমস্ত ত্রুটি বিচ্যুতি রেখে প্রশ্নবিদ্ধ আর এস রেকর্ড করা হয়েছে সেগুলো পূর্ণাঙ্গ সংশোধনী কিংবা সংস্কার করা।
উল্লেখিত এই সমস্ত মৌজায় বহু রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রয়েছে, যেমন বন বিভাগের সম্পত্তি, ডিসি খাস (কালেক্টরি) খাস যাহা কারণিক ভুল কিংবা প্রতারণামূলক লেখনীর মাধ্যমে বিগত দিনে আরএস জরিপ কর্মকর্তাগণের অসাবধানতা কিংবা বিপুল প্রলদ্ধতায় ব্যক্তি মালিকানা রেকর্ড হয় । এমনটি দেখা যায় ব্যক্তি মালিকানায় ভূ-সম্পত্তি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সাধারণ মানুষ। কথিত আছে এই ভূমির সৃষ্ট জটিলতা নিয়ে যে সমস্ত এলাকায় কটুছালে খুন খারাপি বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা অনেক পরিবারই সর্বস্বান্ত হয়েছে। সরজমিনে গিয়ে জানা যায় ভূমির দখল নিতে একজনের স্ত্রী দিয়ে আর একজনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলার ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে, কিংবা চাঁদাবাজি রাজনৈতিক মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার ঘটনাও ঘটেছে যা পূর্বে জরিপ কর্মকর্তাদের নৈতিকতার ফসল।
বর্তমান সরকারের প্রস্তাবিত ভূমি জরিপ কার্যক্রম সংশোধনী আনার লক্ষ্য থাকলেও কায়েমি স্বার্থ হাসিলে এক শ্রেণীর দালালদের আধিপত্যবাদ বিস্তারে তা আর পেরে উঠতে পারছেন না জরিপ কর্মকর্তাগণ। মনে হচ্ছে এই জরিপ একটি কলঙ্কিত অধ্যায়ের কালো জয়ী শতবর্ষি লক্ষ্য পূরণ করে চলছে ,শতবর্ষি ভুক্তভোগী হবে রাষ্ট্র কিংবা ওই এলাকার সাধারণ মানুষ ,যা আগামী প্রজন্মের নিকট বর্তমান গণতান্ত্রিক দলীয় সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
জরিপ কর্মকর্তাগণ কৌশলী ভূমিকায় নতজানু হয়ে নিজের পকেট ভারি করে কামুকদের মুখে লবণ দিয়ে বিগত ভুল আর এস রেকর্ডের সংশোধনী না এনে তার উপর রেকর্ড পর্চা বিতরণ করে চলছেন। চাঁদীর জুতো মেরে মুখ বন্ধ করতে একটি উলঙ্গ সমাজের নগ্ন হস্তক্ষে প্রশ্নবিদ্ধ জরিপকে অমাবস্যার চাদরে মুড়ে দিয়েছে। গণমাধ্যম কর্মীদের ঠুটি চেপে ধরতে নেওয়া হচ্ছে নিত্যনতুন ভিন্ন ভিন্ন কৌশল, সত্যের সন্ধানে প্রতিবাদী গণমাধ্যম কর্মীদের মুখ বন্ধ করতে মব সৃষ্টি করে মারামারির ঘটনা ঘটিয়ে বা সৃষ্ট জটিলতায় মামলায় আবদ্ধ করে দেওয়া হচ্ছে জেল হাজতে, আর এতে চাপা ক্ষোভে ফুসে উঠছেন গণমাধ্যম কর্মীগণ।
এমন ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক জামাল আহমেদ এর উপর অতির্কিত হামলা যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও কাশিমপুর থানা পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে দুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে, বিগত ২৩ আগস্ট কাশিমপুর অস্থায়ী সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত কর্মকর্তাগণের সামনে মারামারির তুচ্ছ ঘটনায় কাশিমপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ও সাংবাদিক আঃ কুদ্দুসের সঙ্গে কথার কাটাকাটির জের ধরে অনাকাঙ্ক্ষিত লজ্জিত ঘটনায় গাজীপুর জেলা সহ স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের মাঝে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, রাষ্ট্রপক্ষের
নিস্পৃহতা অসহায় ভূমি মালিকগন। অনুসন্ধানে দেখা যায় সেটেলমেন্ট এজলাসের ঘিরে থাকা লালসালুতে নাম লেখা রয়েছে একজনের মোবাইল নাম্বার যিনি সাংবাদিকের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুর কাশিমপুর থানাধীন ৫টি মৌজা লস্কর চালা, পানিশাইল, সরাবো , কাশিমপুর , পূর্বে রেকর্ড অনুসারে গোবিন্দ বাড়ি মৌজার ৩০ ধারা চলমান যা নিয়ে চলছে ভূমি জরিপ কার্যক্রম, ভূমি জরিপ হচ্ছে বিগত দিনে আর এস জরিপ চলাকালে জরিপ কর্মকর্তাগণ সিএস ,এস এ রেকর্ডে যে সমস্ত ত্রুটি বিচ্যুতি রেখে প্রশ্নবিদ্ধ আর এস রেকর্ড করা হয়েছে সেগুলো পূর্ণাঙ্গ সংশোধনী কিংবা সংস্কার করা।
উল্লেখিত এই সমস্ত মৌজায় বহু রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রয়েছে, যেমন বন বিভাগের সম্পত্তি, ডিসি খাস (কালেক্টরি) খাস যাহা কারণিক ভুল কিংবা প্রতারণামূলক লেখনীর মাধ্যমে বিগত দিনে আরএস জরিপ কর্মকর্তাগণের অসাবধানতা কিংবা বিপুল প্রলদ্ধতায় ব্যক্তি মালিকানা রেকর্ড হয় । এমনটি দেখা যায় ব্যক্তি মালিকানায় ভূ-সম্পত্তি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সাধারণ মানুষ। কথিত আছে এই ভূমির সৃষ্ট জটিলতা নিয়ে যে সমস্ত এলাকায় কটুছালে খুন খারাপি বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা অনেক পরিবারই সর্বস্বান্ত হয়েছে। সরজমিনে গিয়ে জানা যায় ভূমির দখল নিতে একজনের স্ত্রী দিয়ে আর একজনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলার ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে, কিংবা চাঁদাবাজি রাজনৈতিক মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার ঘটনাও ঘটেছে যা পূর্বে জরিপ কর্মকর্তাদের নৈতিকতার ফসল।
বর্তমান সরকারের প্রস্তাবিত ভূমি জরিপ কার্যক্রম সংশোধনী আনার লক্ষ্য থাকলেও কায়েমি স্বার্থ হাসিলে এক শ্রেণীর দালালদের আধিপত্যবাদ বিস্তারে তা আর পেরে উঠতে পারছেন না জরিপ কর্মকর্তাগণ। মনে হচ্ছে এই জরিপ একটি কলঙ্কিত অধ্যায়ের কালো জয়ী শতবর্ষি লক্ষ্য পূরণ করে চলছে ,শতবর্ষি ভুক্তভোগী হবে রাষ্ট্র কিংবা ওই এলাকার সাধারণ মানুষ ,যা আগামী প্রজন্মের নিকট বর্তমান গণতান্ত্রিক দলীয় সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
জরিপ কর্মকর্তাগণ কৌশলী ভূমিকায় নতজানু হয়ে নিজের পকেট ভারি করে কামুকদের মুখে লবণ দিয়ে বিগত ভুল আর এস রেকর্ডের সংশোধনী না এনে তার উপর রেকর্ড পর্চা বিতরণ করে চলছেন। চাঁদীর জুতো মেরে মুখ বন্ধ করতে একটি উলঙ্গ সমাজের নগ্ন হস্তক্ষে প্রশ্নবিদ্ধ জরিপকে অমাবস্যার চাদরে মুড়ে দিয়েছে। গণমাধ্যম কর্মীদের ঠুটি চেপে ধরতে নেওয়া হচ্ছে নিত্যনতুন ভিন্ন ভিন্ন কৌশল, সত্যের সন্ধানে প্রতিবাদী গণমাধ্যম কর্মীদের মুখ বন্ধ করতে মব সৃষ্টি করে মারামারির ঘটনা ঘটিয়ে বা সৃষ্ট জটিলতায় মামলায় আবদ্ধ করে দেওয়া হচ্ছে জেল হাজতে, আর এতে চাপা ক্ষোভে ফুসে উঠছেন গণমাধ্যম কর্মীগণ।
এমন ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক জামাল আহমেদ এর উপর অতির্কিত হামলা যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও কাশিমপুর থানা পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে দুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে, বিগত ২৩ আগস্ট কাশিমপুর অস্থায়ী সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত কর্মকর্তাগণের সামনে মারামারির তুচ্ছ ঘটনায় কাশিমপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ও সাংবাদিক আঃ কুদ্দুসের সঙ্গে কথার কাটাকাটির জের ধরে অনাকাঙ্ক্ষিত লজ্জিত ঘটনায় গাজীপুর জেলা সহ স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের মাঝে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, রাষ্ট্রপক্ষের
নিস্পৃহতা অসহায় ভূমি মালিকগন। অনুসন্ধানে দেখা যায় সেটেলমেন্ট এজলাসের ঘিরে থাকা লালসালুতে নাম লেখা রয়েছে একজনের মোবাইল নাম্বার যিনি সাংবাদিকের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন