মাদকের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা পুলিশের চলমান সাঁড়াশি অভিযানের ধারাবাহিকতায় জেলার সকল থানায় একযোগে মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৪ আগস্ট) কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানার ইউনিয়নভিত্তিক এলাকায় পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা এবং মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিই ছিল কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
গত ১৬ আগস্ট থেকে কুমিল্লা জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে জেলা পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে আয়োজিত র্যালি ও সমাবেশে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসার, থানার অফিসার ইনচার্জসহ পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করেন। পরে সংশ্লিষ্ট এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে র্যালি নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে মাদকের ভয়াবহতা, এর ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদক নির্মূলে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না; এর ভয়াবহ প্রভাব একটি পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর পড়ে। তাই মাদকের বিস্তার রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, মাদক ব্যবসা, পাচার ও সেবনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে পুলিশি অভিযানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
মাদকের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা পুলিশের চলমান সাঁড়াশি অভিযানের ধারাবাহিকতায় জেলার সকল থানায় একযোগে মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৪ আগস্ট) কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানার ইউনিয়নভিত্তিক এলাকায় পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা এবং মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিই ছিল কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
গত ১৬ আগস্ট থেকে কুমিল্লা জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে জেলা পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে আয়োজিত র্যালি ও সমাবেশে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসার, থানার অফিসার ইনচার্জসহ পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করেন। পরে সংশ্লিষ্ট এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে র্যালি নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে মাদকের ভয়াবহতা, এর ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদক নির্মূলে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না; এর ভয়াবহ প্রভাব একটি পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর পড়ে। তাই মাদকের বিস্তার রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, মাদক ব্যবসা, পাচার ও সেবনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে পুলিশি অভিযানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন