শনিবার (২২ আগস্ট) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন সাবরাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মাদকের একটি বড় চালান মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে সাবরাং এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের নির্দেশনায় বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল অত্যাধুনিক ফ্যান্টম বোট নিয়ে রাত ১টার দিকে নাফ নদীতে কৌশলগত অবস্থান নেয়।
পরে সকাল ৭টার দিকে প্রযুক্তিগত নজরদারিতে মিয়ানমার জলসীমা থেকে একটি কাঠের নৌকা বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিজিবির নৌ-টহলদল দ্রুত সেখানে পৌঁছে নৌকাটিকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা তিনজন নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়।
তবে অভিযান চালিয়ে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মিয়ানমারের এক নাগরিককে আটক করে বিজিবি। পরে নৌকাটি তল্লাশি করে গোপন কুঠুরিতে লুকিয়ে রাখা তিনটি প্যাকেট থেকে মোট ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তি হলেন মিয়ানমারের মংডু থানার পুইমালি গ্রামের মো. শাহ আলম (৫০)। তিনি ফজল করিম ও মরিয়ম খাতুনের ছেলে।
বিজিবি জানায়, প্রযুক্তিগত নজরদারি, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আভিযানিক দক্ষতার কারণে মাদকের বড় চালানটি বাংলাদেশে প্রবেশের আগেই আটকের পাশাপাশি পাচারের চেষ্টা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত এলাকার সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। ক্রিস্টাল মেথসহ ভয়াবহ মাদক পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ, নৌ-টহল ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।
আটক ব্যক্তি, উদ্ধার করা ক্রিস্টাল মেথ ও জব্দকৃত অন্যান্য আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (২২ আগস্ট) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন সাবরাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মাদকের একটি বড় চালান মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে সাবরাং এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের নির্দেশনায় বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল অত্যাধুনিক ফ্যান্টম বোট নিয়ে রাত ১টার দিকে নাফ নদীতে কৌশলগত অবস্থান নেয়।
পরে সকাল ৭টার দিকে প্রযুক্তিগত নজরদারিতে মিয়ানমার জলসীমা থেকে একটি কাঠের নৌকা বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিজিবির নৌ-টহলদল দ্রুত সেখানে পৌঁছে নৌকাটিকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা তিনজন নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়।
তবে অভিযান চালিয়ে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মিয়ানমারের এক নাগরিককে আটক করে বিজিবি। পরে নৌকাটি তল্লাশি করে গোপন কুঠুরিতে লুকিয়ে রাখা তিনটি প্যাকেট থেকে মোট ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তি হলেন মিয়ানমারের মংডু থানার পুইমালি গ্রামের মো. শাহ আলম (৫০)। তিনি ফজল করিম ও মরিয়ম খাতুনের ছেলে।
বিজিবি জানায়, প্রযুক্তিগত নজরদারি, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আভিযানিক দক্ষতার কারণে মাদকের বড় চালানটি বাংলাদেশে প্রবেশের আগেই আটকের পাশাপাশি পাচারের চেষ্টা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত এলাকার সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। ক্রিস্টাল মেথসহ ভয়াবহ মাদক পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ, নৌ-টহল ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।
আটক ব্যক্তি, উদ্ধার করা ক্রিস্টাল মেথ ও জব্দকৃত অন্যান্য আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন