সাইবার অপরাধ তদন্তে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে নারায়ণগঞ্জে ‘তথ্য সংগ্রহের আইনগত প্রক্রিয়া’ বিষয়ক দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালার উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।
কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআইডি ঢাকার সিপিসির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. খাইরুল আলম। দিনব্যাপী কর্মশালায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সাতটি থানা, গোয়েন্দা শাখা ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) শাখার ২০ জন উপপরিদর্শকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
কর্মশালায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক ও গুগল থেকে আইনসম্মতভাবে তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের পদ্ধতি এবং সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক অপরাধের তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রতারণা, হয়রানি ও বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধের ঘটনা বাড়ছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত ও কার্যকরভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মশালায় অর্জিত জ্ঞান তদন্ত কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সাইবার অপরাধ তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তি ও আইনসম্মত তথ্য সংগ্রহের কৌশল কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
সাইবার অপরাধ তদন্তে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে নারায়ণগঞ্জে ‘তথ্য সংগ্রহের আইনগত প্রক্রিয়া’ বিষয়ক দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালার উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।
কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআইডি ঢাকার সিপিসির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. খাইরুল আলম। দিনব্যাপী কর্মশালায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সাতটি থানা, গোয়েন্দা শাখা ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) শাখার ২০ জন উপপরিদর্শকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
কর্মশালায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক ও গুগল থেকে আইনসম্মতভাবে তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের পদ্ধতি এবং সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক অপরাধের তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রতারণা, হয়রানি ও বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধের ঘটনা বাড়ছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত ও কার্যকরভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মশালায় অর্জিত জ্ঞান তদন্ত কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সাইবার অপরাধ তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তি ও আইনসম্মত তথ্য সংগ্রহের কৌশল কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন