নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ৪৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মাদক মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, ২০২৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে সোনারগাঁ উপজেলার ছোট সাদিপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনে একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় বাসটি থেকে ৪৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার মেইন আলমপুর এলাকার শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফ, নেত্রকোনার দুর্গাপুর থানার পূর্ব দশাল এলাকার হৃদয় মিয়া ওরফে মাইন উদ্দিন এবং গাজীপুরের ভাওয়ালপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম।
রায় ঘোষণার সময় আসামি শরিফুল ইসলাম পলাতক ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ৪৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মাদক মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, ২০২৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে সোনারগাঁ উপজেলার ছোট সাদিপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনে একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় বাসটি থেকে ৪৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার মেইন আলমপুর এলাকার শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফ, নেত্রকোনার দুর্গাপুর থানার পূর্ব দশাল এলাকার হৃদয় মিয়া ওরফে মাইন উদ্দিন এবং গাজীপুরের ভাওয়ালপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম।
রায় ঘোষণার সময় আসামি শরিফুল ইসলাম পলাতক ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন