ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে প্যারোলে মুক্তি: ঢাকার বাসায় দীপু মনি


প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে প্যারোলে মুক্তি: ঢাকার বাসায় দীপু মনি

স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্ত হয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি। মেয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্ত হয়ে বের হন তিনি।ভোরের আলো ফোটার পরপরই কারাগার ফটকে প্রবেশ করে প্রিজন ভ্যান ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের গাড়ি। সকাল সোয়া ৬টার দিকে পুলিশি পাহারায় দীপু মনিকে কারাগার থেকে বের করে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।মুন্সীগঞ্জ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার মো. হাসেম রেজা জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তির নির্দেশনার কাগজ পাওয়া যায়। সে অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করা হয়।

বৃহস্পতিবার ভোরে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তার নিরাপত্তায় পুলিশের দুটি গাড়ি ও একটি প্রিজন ভ্যানে মোট ৩৮ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন।
সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে তাকে আবার কারাগারে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বুধবার দুপুরে দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম চার দিনের প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। পরে মুন্সীগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার জন্য তার প্যারোল মঞ্জুর করেন।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একাধিক মামলার আসামি হয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন দীপু মনি। দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী তৌফিক নাওয়াজ কিডনি ও লিভারের নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। 

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তৌফিক নাওয়াজকে রাজধানীর গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান।

স্বামীর মৃত্যুর পর মায়ের প্যারোলে মুক্তির জন্য বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান তার মেয়ে তানী দীপাবলি ও আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম। পরে দুপুরে দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তৌফিক নাওয়াজের মরদেহ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার কলাবাগানে তার নিজ বাসভবনে নেওয়া হয়েছে। সেখানে স্বামীর মরদেহ শেষবারের মতো দেখবেন দীপু মনি। এরপর মরদেহ নেওয়া হবে গুলশানের আজাদ মসজিদে। বাদ জোহর সেখানে জানাজা ও দোয়া শেষে বনানী কবরস্থানে তৌফিক নাওয়াজকে দাফন করা হবে।

দাফন শেষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দীপু মনিকে আবার মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে প্যারোলে মুক্তি: ঢাকার বাসায় দীপু মনি

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্ত হয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি। মেয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্ত হয়ে বের হন তিনি।ভোরের আলো ফোটার পরপরই কারাগার ফটকে প্রবেশ করে প্রিজন ভ্যান ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের গাড়ি। সকাল সোয়া ৬টার দিকে পুলিশি পাহারায় দীপু মনিকে কারাগার থেকে বের করে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।মুন্সীগঞ্জ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার মো. হাসেম রেজা জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তির নির্দেশনার কাগজ পাওয়া যায়। সে অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করা হয়।

বৃহস্পতিবার ভোরে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তার নিরাপত্তায় পুলিশের দুটি গাড়ি ও একটি প্রিজন ভ্যানে মোট ৩৮ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন।
সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে তাকে আবার কারাগারে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বুধবার দুপুরে দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম চার দিনের প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। পরে মুন্সীগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার জন্য তার প্যারোল মঞ্জুর করেন।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একাধিক মামলার আসামি হয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন দীপু মনি। দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী তৌফিক নাওয়াজ কিডনি ও লিভারের নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। 

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তৌফিক নাওয়াজকে রাজধানীর গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান।

স্বামীর মৃত্যুর পর মায়ের প্যারোলে মুক্তির জন্য বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান তার মেয়ে তানী দীপাবলি ও আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম। পরে দুপুরে দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তৌফিক নাওয়াজের মরদেহ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার কলাবাগানে তার নিজ বাসভবনে নেওয়া হয়েছে। সেখানে স্বামীর মরদেহ শেষবারের মতো দেখবেন দীপু মনি। এরপর মরদেহ নেওয়া হবে গুলশানের আজাদ মসজিদে। বাদ জোহর সেখানে জানাজা ও দোয়া শেষে বনানী কবরস্থানে তৌফিক নাওয়াজকে দাফন করা হবে।

দাফন শেষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দীপু মনিকে আবার মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত