নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার জিডি নং-১০২৬-এর ভিত্তিতে এএসআই (নিঃ) মোহাম্মদ স্বপনের নেতৃত্বে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল থানা এলাকায় নিরাপত্তা, মাদক উদ্ধার ও গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।
ডিউটিরত অবস্থায় পুলিশের দলটি সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আটি হাউজিং এলাকায় প্রকৌশলী রবিউলের নির্মাণাধীন ৮ তলা ভবনের দক্ষিণ পাশের বালুর মাঠে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল ব্যক্তি ধারালো চাপাতি, সুইচ গিয়ার, দা, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলায় এএসআই (নিঃ) মোহাম্মদ স্বপন, কনস্টেবল মনির হোসেন ও কনস্টেবল মোঃ আবু হানিফ গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পর পুলিশের বৈধ কাজে বাধা প্রদান ও হামলার অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর দিক-নির্দেশনায় এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমদাদুল হকের তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ নাইম হোসেন (২৫), মোঃ ইকবাল হোসেন (২১), মোঃ আব্দুল্লাহ (২৪) ও মোঃ আলেক শাহ (২৮)-কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোঃ নাইম হোসেনের পিতা মোঃ শাহ আলম, মাতা খোরশেদা বেগম; মোঃ ইকবাল হোসেনের পিতা মৃত হাশেম, মাতা তাসলিমা বেগম; মোঃ আব্দুল্লাহর পিতা মোঃ ওসমান, মাতা সালেহা বেগম। তাদের ঠিকানা—আটি ওয়াবদা কলোনী (বউ বাজার), ৪ নম্বর ওয়ার্ড, থানা সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা নারায়ণগঞ্জ।
অপর গ্রেফতারকৃত মোঃ আলেক শাহ (২৮)-এর পিতা মৃত রহম আলী, মাতা ময়না বেগম। স্থায়ী ঠিকানা—কৃষ্ণপুর, ইউপি কৃষ্ণপুর, থানা খালিয়াজুরী, জেলা নেত্রকোনা। বর্তমানে তিনি আটি ওয়াবদা কলোনী বউবাজার এলাকায় রজব আলী সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত চার আসামিকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার জিডি নং-১০২৬-এর ভিত্তিতে এএসআই (নিঃ) মোহাম্মদ স্বপনের নেতৃত্বে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল থানা এলাকায় নিরাপত্তা, মাদক উদ্ধার ও গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।
ডিউটিরত অবস্থায় পুলিশের দলটি সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আটি হাউজিং এলাকায় প্রকৌশলী রবিউলের নির্মাণাধীন ৮ তলা ভবনের দক্ষিণ পাশের বালুর মাঠে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল ব্যক্তি ধারালো চাপাতি, সুইচ গিয়ার, দা, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলায় এএসআই (নিঃ) মোহাম্মদ স্বপন, কনস্টেবল মনির হোসেন ও কনস্টেবল মোঃ আবু হানিফ গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পর পুলিশের বৈধ কাজে বাধা প্রদান ও হামলার অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর দিক-নির্দেশনায় এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমদাদুল হকের তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ নাইম হোসেন (২৫), মোঃ ইকবাল হোসেন (২১), মোঃ আব্দুল্লাহ (২৪) ও মোঃ আলেক শাহ (২৮)-কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোঃ নাইম হোসেনের পিতা মোঃ শাহ আলম, মাতা খোরশেদা বেগম; মোঃ ইকবাল হোসেনের পিতা মৃত হাশেম, মাতা তাসলিমা বেগম; মোঃ আব্দুল্লাহর পিতা মোঃ ওসমান, মাতা সালেহা বেগম। তাদের ঠিকানা—আটি ওয়াবদা কলোনী (বউ বাজার), ৪ নম্বর ওয়ার্ড, থানা সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা নারায়ণগঞ্জ।
অপর গ্রেফতারকৃত মোঃ আলেক শাহ (২৮)-এর পিতা মৃত রহম আলী, মাতা ময়না বেগম। স্থায়ী ঠিকানা—কৃষ্ণপুর, ইউপি কৃষ্ণপুর, থানা খালিয়াজুরী, জেলা নেত্রকোনা। বর্তমানে তিনি আটি ওয়াবদা কলোনী বউবাজার এলাকায় রজব আলী সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত চার আসামিকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন