নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পূর্ববিরোধের জেরে মাহমুদপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য সচিব বেলায়েত হোসেনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহজাহান শিকারীর নেতৃত্বে।
এ ঘটনায় দুই নারীসহ একই পরিবারের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। হামলার সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও ১০ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের গহরদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে লাকি বেগম ও রহিমার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে শাহজাহান শিকারী, নূর মোহাম্মদসহ কয়েকজনের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত মঙ্গলবার বেলায়েতের ভাই দেলোয়ার হোসেনকে মারধর করা হয় এবং পরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।
বেলায়েত হোসেন বলেন, “মঙ্গলবার আমার ভাই দেলোয়ারকে মারধর করে মামলা দিয়ে বাড়িছাড়া করা হয়। এর কয়েক দিন পর শুক্রবার সকালে শাহজাহান শিকারীর নেতৃত্বে কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন। এতে নারীসহ পাঁচজন আহত হন।
আহত আমির হোসেনের অভিযোগ, হামলাকারীরা বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্র ও মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। পরে কাঠ ও স্টিলের আলমারি ভেঙে বিভিন্ন ঘর থেকে আনুমানিক তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও ১০ লাখ টাকা নিয়ে যায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার পর অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এলাকায় মহড়া দিচ্ছেন। তাঁরা আবারও হামলা ও হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে দাবি করেন আমির হোসেন।
এ ঘটনায় আমির হোসেন বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা শাহজাহান শিকারী। তিনি বলেন, আমি এ হামলার সঙ্গে জড়িত নই।
আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিপন কুমার বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পূর্ববিরোধের জেরে মাহমুদপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য সচিব বেলায়েত হোসেনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহজাহান শিকারীর নেতৃত্বে।
এ ঘটনায় দুই নারীসহ একই পরিবারের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। হামলার সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও ১০ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের গহরদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে লাকি বেগম ও রহিমার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে শাহজাহান শিকারী, নূর মোহাম্মদসহ কয়েকজনের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত মঙ্গলবার বেলায়েতের ভাই দেলোয়ার হোসেনকে মারধর করা হয় এবং পরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।
বেলায়েত হোসেন বলেন, “মঙ্গলবার আমার ভাই দেলোয়ারকে মারধর করে মামলা দিয়ে বাড়িছাড়া করা হয়। এর কয়েক দিন পর শুক্রবার সকালে শাহজাহান শিকারীর নেতৃত্বে কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন। এতে নারীসহ পাঁচজন আহত হন।
আহত আমির হোসেনের অভিযোগ, হামলাকারীরা বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্র ও মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। পরে কাঠ ও স্টিলের আলমারি ভেঙে বিভিন্ন ঘর থেকে আনুমানিক তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও ১০ লাখ টাকা নিয়ে যায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার পর অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এলাকায় মহড়া দিচ্ছেন। তাঁরা আবারও হামলা ও হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে দাবি করেন আমির হোসেন।
এ ঘটনায় আমির হোসেন বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা শাহজাহান শিকারী। তিনি বলেন, আমি এ হামলার সঙ্গে জড়িত নই।
আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিপন কুমার বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন