রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের ধস নেমেছে। উপজেলার ১ হাজার ৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে মাত্র ২৫৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র দুজন। গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে। এমন ফলাফল নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে শিক্ষক ও প্রশাসনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজানের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা অংশ নেন।
সভায় ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে অনিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার, অভিভাবকদের সচেতনতার ঘাটতি, দুর্গম এলাকার যোগাযোগ সমস্যা এবং শিক্ষক সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
তবে অভিভাবকদের অশিক্ষিত হওয়াকে সরাসরি শিক্ষার্থীদের খারাপ ফলাফলের কারণ হিসেবে দেখার বিষয়ে সতর্ক করেন ইউএনও আমেনা মারজান। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত না হয়েও অনেক অভিভাবক সন্তানদের পড়াশোনার বিষয়ে সচেতন এবং তাদের সন্তানরা ভালো ফলাফল করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই অভিভাবকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে সচেতনতা ও সন্তানদের প্রতি নজরদারিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
সভায় একজন ইউপি চেয়ারম্যান শিক্ষকদের মধ্যকার গ্রুপিং, অন্তর্কোন্দল ও পারস্পরিক দূরত্বের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার মতে, কোনো কোনো বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ শিক্ষার পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।
শিক্ষার মানোন্নয়নে সভায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকদের নিয়মিত যোগাযোগ, যথাযথভাবে হাজিরা সংরক্ষণ এবং শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া প্রতি সপ্তাহে ক্লাস টেস্ট, দুর্বল শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ তদারকি, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস এবং পরীক্ষার আগে বিশেষ প্রস্তুতির ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতি জানতে নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশ ও শিক্ষকদের হোম ভিজিটের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে বিদ্যালয়ভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের কথা বলা হয়।
মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সচেতনতা তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়। মাদকাসক্ত শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।
দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও পড়াশোনা নিশ্চিত করতে আবাসিক সুবিধা সৃষ্টির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার প্রস্তাব করা হয়। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে মিড-ডে মিল চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
সভায় উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকটের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। শিক্ষক সংকট নিরসনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করে প্রেষণামূলক ক্লাস নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অপ্রয়োজনে বিদ্যালয়ের বাইরে যাওয়া নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও আমেনা মারজান বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন শুধু বিদ্যালয় বা শিক্ষকদের একার দায়িত্ব নয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা এবং বিদ্যালয়ে ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সভায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বী, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর আলম, বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দীন মজুমদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু ফলাফল প্রকাশের পর কারণ খুঁজলেই সমস্যার সমাধান হবে না। প্রতিটি বিদ্যালয়ের ফলাফল, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শিক্ষক সংকট, পাঠদানের মান এবং বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে বাঘাইছড়ির মাধ্যমিক শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের ধস নেমেছে। উপজেলার ১ হাজার ৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে মাত্র ২৫৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র দুজন। গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে। এমন ফলাফল নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে শিক্ষক ও প্রশাসনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজানের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা অংশ নেন।
সভায় ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে অনিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার, অভিভাবকদের সচেতনতার ঘাটতি, দুর্গম এলাকার যোগাযোগ সমস্যা এবং শিক্ষক সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
তবে অভিভাবকদের অশিক্ষিত হওয়াকে সরাসরি শিক্ষার্থীদের খারাপ ফলাফলের কারণ হিসেবে দেখার বিষয়ে সতর্ক করেন ইউএনও আমেনা মারজান। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত না হয়েও অনেক অভিভাবক সন্তানদের পড়াশোনার বিষয়ে সচেতন এবং তাদের সন্তানরা ভালো ফলাফল করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই অভিভাবকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে সচেতনতা ও সন্তানদের প্রতি নজরদারিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
সভায় একজন ইউপি চেয়ারম্যান শিক্ষকদের মধ্যকার গ্রুপিং, অন্তর্কোন্দল ও পারস্পরিক দূরত্বের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার মতে, কোনো কোনো বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ শিক্ষার পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।
শিক্ষার মানোন্নয়নে সভায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকদের নিয়মিত যোগাযোগ, যথাযথভাবে হাজিরা সংরক্ষণ এবং শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া প্রতি সপ্তাহে ক্লাস টেস্ট, দুর্বল শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ তদারকি, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস এবং পরীক্ষার আগে বিশেষ প্রস্তুতির ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতি জানতে নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশ ও শিক্ষকদের হোম ভিজিটের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে বিদ্যালয়ভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের কথা বলা হয়।
মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সচেতনতা তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়। মাদকাসক্ত শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।
দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও পড়াশোনা নিশ্চিত করতে আবাসিক সুবিধা সৃষ্টির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার প্রস্তাব করা হয়। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে মিড-ডে মিল চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
সভায় উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকটের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। শিক্ষক সংকট নিরসনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করে প্রেষণামূলক ক্লাস নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অপ্রয়োজনে বিদ্যালয়ের বাইরে যাওয়া নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও আমেনা মারজান বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন শুধু বিদ্যালয় বা শিক্ষকদের একার দায়িত্ব নয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা এবং বিদ্যালয়ে ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সভায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বী, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর আলম, বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দীন মজুমদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু ফলাফল প্রকাশের পর কারণ খুঁজলেই সমস্যার সমাধান হবে না। প্রতিটি বিদ্যালয়ের ফলাফল, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শিক্ষক সংকট, পাঠদানের মান এবং বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে বাঘাইছড়ির মাধ্যমিক শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন