আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে বাধা, মঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ও প্যান্ডেল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন খাগকান্দা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান।
জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, কর্মী সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি চলাকালে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়ার নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে সম্মেলনে বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা মঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ও প্যান্ডেল ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
খাগকান্দা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান এক বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী সম্মেলনে বাধা দেওয়া, মঞ্চ-প্যান্ডেল ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক আচরণ হতে পারে না। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
মাওলানা মিজানুর রহমান আরও বলেন, “বিএনপি ফ্যাসিস্টদের মতো গণতান্ত্রিক অধিকারকে হত্যা করার পথে হাঁটছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শেষ পর্যন্ত তাদের জন্যই বিপদ ডেকে আনবে। আমরা তাঁদের এই অন্যায় ও অগণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ ধারার রাজনীতি করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে মতের পার্থক্যকে কেন্দ্র করে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা, ভাঙচুর কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন কাম্য নয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে সব দলের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
জামায়াতের স্থানীয় নেতারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্বিঘ্নে পালনের জন্য প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে বাধা, মঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ও প্যান্ডেল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন খাগকান্দা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান।
জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, কর্মী সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি চলাকালে খাগকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়ার নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে সম্মেলনে বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা মঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ও প্যান্ডেল ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
খাগকান্দা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান এক বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী সম্মেলনে বাধা দেওয়া, মঞ্চ-প্যান্ডেল ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক আচরণ হতে পারে না। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
মাওলানা মিজানুর রহমান আরও বলেন, “বিএনপি ফ্যাসিস্টদের মতো গণতান্ত্রিক অধিকারকে হত্যা করার পথে হাঁটছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শেষ পর্যন্ত তাদের জন্যই বিপদ ডেকে আনবে। আমরা তাঁদের এই অন্যায় ও অগণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ ধারার রাজনীতি করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে মতের পার্থক্যকে কেন্দ্র করে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা, ভাঙচুর কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন কাম্য নয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে সব দলের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
জামায়াতের স্থানীয় নেতারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্বিঘ্নে পালনের জন্য প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন