সাক্ষাৎকালে অনুশ্রী প্রধানমন্ত্রীকে একটি দেশাত্মবোধক গান শোনায়। প্রধানমন্ত্রী তার প্রতিভার প্রশংসা করে ভবিষ্যতে নিয়মিত সংগীতচর্চা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় অনুশ্রী ও তার পরিবার গভীর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জানা যায়, গত ১৫ জুলাই বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে অনুশ্রী প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছিল। ওই চিঠিতে সংগীতচর্চার জন্য একটি হারমোনিয়ামের প্রয়োজন এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছার কথা জানায় সে। পরে সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে অনুশ্রী ও তার পরিবারকে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
সাক্ষাৎ শেষে আবেগাপ্লুত অনুশ্রী বলেন, তিনি কখনো ভাবেননি যে তার লেখা চিঠি প্রধানমন্ত্রী পড়বেন এবং তাকে সাক্ষাতের জন্য ডাকবেন। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে হারমোনিয়াম কেনা সম্ভব হয়নি বলেই তিনি চিঠিটি লিখেছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ফোন পেয়ে তিনি বিস্মিত ও আনন্দিত হন।
অনুশ্রী আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রী স্নেহভরে তার সঙ্গে কথা বলেন, সংগীতচর্চার খোঁজখবর নেন এবং উৎসাহ দিতে তার চাওয়া হারমোনিয়ামটি উপহার দেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে একটি দেশাত্মবোধক গানও শোনানোর সুযোগ পায় সে।
অনুশ্রীর বাবা বলেন, মেয়েকে প্রধানমন্ত্রী নিজে ডেকে উৎসাহ দেবেন—এটি তাদের পরিবারের জন্য অবিশ্বাস্য একটি মুহূর্ত। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগের কথা মেয়েকে বলতেন বলেই অনুশ্রী চিঠি লেখার সাহস পেয়েছিল।
এদিকে একই দিনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নিরাপত্তাকর্মী তাবিউল ইসলাম রাকিব। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করার স্বপ্ন ছিল তার। সেই আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন এবং দেখা না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা না ছাড়ার কথাও জানিয়েছিলেন।
সাক্ষাৎকালে রাকিব তার গ্রামের দীর্ঘদিনের একটি জনদাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তিনি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান। তার ভাষ্য, নদী পারাপারে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এবং একটি সেতু নির্মিত হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ কমে আসবে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে রাকিবও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাদের এলাকার দীর্ঘদিনের এই জনদাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
সাক্ষাৎকালে অনুশ্রী প্রধানমন্ত্রীকে একটি দেশাত্মবোধক গান শোনায়। প্রধানমন্ত্রী তার প্রতিভার প্রশংসা করে ভবিষ্যতে নিয়মিত সংগীতচর্চা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় অনুশ্রী ও তার পরিবার গভীর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জানা যায়, গত ১৫ জুলাই বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে অনুশ্রী প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছিল। ওই চিঠিতে সংগীতচর্চার জন্য একটি হারমোনিয়ামের প্রয়োজন এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছার কথা জানায় সে। পরে সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে অনুশ্রী ও তার পরিবারকে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
সাক্ষাৎ শেষে আবেগাপ্লুত অনুশ্রী বলেন, তিনি কখনো ভাবেননি যে তার লেখা চিঠি প্রধানমন্ত্রী পড়বেন এবং তাকে সাক্ষাতের জন্য ডাকবেন। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে হারমোনিয়াম কেনা সম্ভব হয়নি বলেই তিনি চিঠিটি লিখেছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ফোন পেয়ে তিনি বিস্মিত ও আনন্দিত হন।
অনুশ্রী আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রী স্নেহভরে তার সঙ্গে কথা বলেন, সংগীতচর্চার খোঁজখবর নেন এবং উৎসাহ দিতে তার চাওয়া হারমোনিয়ামটি উপহার দেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে একটি দেশাত্মবোধক গানও শোনানোর সুযোগ পায় সে।
অনুশ্রীর বাবা বলেন, মেয়েকে প্রধানমন্ত্রী নিজে ডেকে উৎসাহ দেবেন—এটি তাদের পরিবারের জন্য অবিশ্বাস্য একটি মুহূর্ত। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগের কথা মেয়েকে বলতেন বলেই অনুশ্রী চিঠি লেখার সাহস পেয়েছিল।
এদিকে একই দিনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নিরাপত্তাকর্মী তাবিউল ইসলাম রাকিব। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করার স্বপ্ন ছিল তার। সেই আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন এবং দেখা না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা না ছাড়ার কথাও জানিয়েছিলেন।
সাক্ষাৎকালে রাকিব তার গ্রামের দীর্ঘদিনের একটি জনদাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তিনি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান। তার ভাষ্য, নদী পারাপারে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এবং একটি সেতু নির্মিত হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ কমে আসবে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে রাকিবও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাদের এলাকার দীর্ঘদিনের এই জনদাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন