ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা এলাকায় ফারজানা আক্তার (১৭) নামে এক গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
রোববার (২ আগস্ট) ভোররাতে পৌরসভার মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত ফারজানা আক্তার বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের দত্তখলা গ্রামের সোলামুড়া এলাকার খলিল মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শহরের মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার ৯৩০ নম্বর হাবিবুর রহমানের ভবনের একটি ভাড়া বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন ফারজানা। রাতের কোনো এক সময় বাসার ডাইনিং রুমে ফ্যানের হুকের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলন্ত দেখতে পান বাসার লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
নিহতের বাবা খলিল মিয়া জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে তার মেয়ে ওই বাসায় কাজ শুরু করেন। সর্বশেষ গত শুক্রবার তিনি মেয়ের সঙ্গে দেখা করেন। রোববার সকালে মেয়ের মৃত্যুর খবর পান।
তিনি দাবি করেন, তার মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে পরিবারের কাছে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাননি। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, এক গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা এলাকায় ফারজানা আক্তার (১৭) নামে এক গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
রোববার (২ আগস্ট) ভোররাতে পৌরসভার মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত ফারজানা আক্তার বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের দত্তখলা গ্রামের সোলামুড়া এলাকার খলিল মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শহরের মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার ৯৩০ নম্বর হাবিবুর রহমানের ভবনের একটি ভাড়া বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন ফারজানা। রাতের কোনো এক সময় বাসার ডাইনিং রুমে ফ্যানের হুকের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলন্ত দেখতে পান বাসার লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
নিহতের বাবা খলিল মিয়া জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে তার মেয়ে ওই বাসায় কাজ শুরু করেন। সর্বশেষ গত শুক্রবার তিনি মেয়ের সঙ্গে দেখা করেন। রোববার সকালে মেয়ের মৃত্যুর খবর পান।
তিনি দাবি করেন, তার মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে পরিবারের কাছে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাননি। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, এক গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন