গাজীপুরের মৌচাক বিট অফিসারের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে বনভূমিতে স্থায়ী হাফ বিল্ডিং নির্মাণের অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিট অফিসার মোঃ শাহ জাহানের বিরুদ্ধে প্রায় এক লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে বনভূমিতে ভবন নির্মাণের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগকারী সূত্রের দাবি, গত ২৬ জুলাই রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাংবাদিক মোঃ খোরশেদ আলমকে একা দেখা করার জন্য ডাকা হয়। সেখানে গেলে তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনাস্থলে কয়েকজন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেন এবং সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করেন।
এছাড়া, তাকে উদ্দেশ্য করে ‘আপনার বাড়ি অন্য জেলায়, এখানে কেন সাংবাদিকতা করেন’—এ ধরনের মন্তব্যও করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিট অফিসার মোঃ শাহ জাহানের বক্তব্য পাওয়ার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে রং নাম্বার বলে কেটে দেন বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন না ধরে কেটে দিয়েছেন যার কারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই বিষয় চন্দ্রা রেঞ্জ অফিসার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি খতিয়ে দেখব এবং বিট অফিসার যদি অপরাধী হয় তার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।
স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
গাজীপুরের মৌচাক বিট অফিসারের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে বনভূমিতে স্থায়ী হাফ বিল্ডিং নির্মাণের অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিট অফিসার মোঃ শাহ জাহানের বিরুদ্ধে প্রায় এক লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে বনভূমিতে ভবন নির্মাণের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগকারী সূত্রের দাবি, গত ২৬ জুলাই রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাংবাদিক মোঃ খোরশেদ আলমকে একা দেখা করার জন্য ডাকা হয়। সেখানে গেলে তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনাস্থলে কয়েকজন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেন এবং সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করেন।
এছাড়া, তাকে উদ্দেশ্য করে ‘আপনার বাড়ি অন্য জেলায়, এখানে কেন সাংবাদিকতা করেন’—এ ধরনের মন্তব্যও করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিট অফিসার মোঃ শাহ জাহানের বক্তব্য পাওয়ার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে রং নাম্বার বলে কেটে দেন বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন না ধরে কেটে দিয়েছেন যার কারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই বিষয় চন্দ্রা রেঞ্জ অফিসার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি খতিয়ে দেখব এবং বিট অফিসার যদি অপরাধী হয় তার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।
স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন