তথ্য চাওয়া ও সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএর এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হেনস্তা, অপমান-অপদস্থ, মোবাইল ফোন জব্দ এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সাংবাদিক ও সংগঠক সুলতান মাহমুদ।
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত বিআইডব্লিউটিএর প্রধান কার্যালয়ে তিনি এ অভিযোগ জমা দেন।
লিখিত অভিযোগে সুলতান মাহমুদ দাবি করেন, গত ২০ জুলাই দুপুরে তথ্য চাওয়া ও সংবাদ প্রকাশের জেরে নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএ কার্যালয়ে উপ-পরিচালক (অভিযোগে উল্লিখিত) মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে তাকে আটকে রাখা হয়। এ সময় তার দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে রাখা হয়, যাতে তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, তার মোবাইলের তথ্য মুছে ফেলা, মিথ্যা মামলার ভয় দেখানো এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পরে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চায়। এরপর তার মোবাইল ফোন দুটি ফেরত দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।
এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়, ঘটনাকালে তার ভিডিও ধারণ করা হয় এবং একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর নেওয়া হয়। সুলতান মাহমুদ দাবি করেন, তাকে ‘স্যার’ সম্বোধন না করা এবং পত্রিকার পরিচয়পত্র প্রদর্শন না করার বিষয়কে কেন্দ্র করে এ ধরনের আচরণ করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
তথ্য চাওয়া ও সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএর এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হেনস্তা, অপমান-অপদস্থ, মোবাইল ফোন জব্দ এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সাংবাদিক ও সংগঠক সুলতান মাহমুদ।
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত বিআইডব্লিউটিএর প্রধান কার্যালয়ে তিনি এ অভিযোগ জমা দেন।
লিখিত অভিযোগে সুলতান মাহমুদ দাবি করেন, গত ২০ জুলাই দুপুরে তথ্য চাওয়া ও সংবাদ প্রকাশের জেরে নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএ কার্যালয়ে উপ-পরিচালক (অভিযোগে উল্লিখিত) মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে তাকে আটকে রাখা হয়। এ সময় তার দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে রাখা হয়, যাতে তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, তার মোবাইলের তথ্য মুছে ফেলা, মিথ্যা মামলার ভয় দেখানো এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পরে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চায়। এরপর তার মোবাইল ফোন দুটি ফেরত দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।
এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়, ঘটনাকালে তার ভিডিও ধারণ করা হয় এবং একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর নেওয়া হয়। সুলতান মাহমুদ দাবি করেন, তাকে ‘স্যার’ সম্বোধন না করা এবং পত্রিকার পরিচয়পত্র প্রদর্শন না করার বিষয়কে কেন্দ্র করে এ ধরনের আচরণ করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন