নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বৃদ্ধা সাফিয়া হত্যা মামলায় রুবেল প্রধান নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে আইন অনুযায়ী অন্যান্য দণ্ডও প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামির উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক এবং মামলার সার্বিক নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি দুপুরে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে একটি বাড়িতে প্রবেশ করে রুবেল প্রধান। ঘরে একা থাকা বৃদ্ধা সাফিয়ার কাছ থেকে স্বর্ণের কানের দুল ও গলার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় তিনি বাধা দেন এবং চিৎকার শুরু করেন। এ সময় রুবেল তাকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে ফেরদৌস বেগম মায়া বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ রুবেল প্রধানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আসামির উপস্থিতিতে রুবেল প্রধানকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী আদালতের এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বৃদ্ধা সাফিয়া হত্যা মামলায় রুবেল প্রধান নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে আইন অনুযায়ী অন্যান্য দণ্ডও প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামির উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক এবং মামলার সার্বিক নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি দুপুরে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে একটি বাড়িতে প্রবেশ করে রুবেল প্রধান। ঘরে একা থাকা বৃদ্ধা সাফিয়ার কাছ থেকে স্বর্ণের কানের দুল ও গলার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় তিনি বাধা দেন এবং চিৎকার শুরু করেন। এ সময় রুবেল তাকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে ফেরদৌস বেগম মায়া বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ রুবেল প্রধানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আসামির উপস্থিতিতে রুবেল প্রধানকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী আদালতের এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন