ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

সরাইলে ৩ মাসেই বেহাল সড়ক: সংস্কারে গাফিলতি ও হরিলুটের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী



সরাইলে ৩ মাসেই বেহাল সড়ক: সংস্কারে গাফিলতি ও হরিলুটের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
ছবি: প্রতিনিধি

নির্মাণের মাত্র ৩ থেকে ৪ মাস পার হতে না হতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার 'পাঠান পাড়া থেকে সরাইল অন্নদা মোড়' পর্যন্ত সড়কটি এখন চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত আর জলকাদা। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও এই পথে চলাচলকারী হাজারো মানুষ।

সরকারের বরাদ্দের টাকা এভাবে বিফলে যাওয়ায় এবং এলজিইডি (LGED) কর্মকর্তাদের দায়িত্বে চরম অবহেলার কারণে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাত্র কয়েক মাস আগে সংস্কার করা রাস্তাটির পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলোতে কাদাপানি জমে ছোটখাটো ডোবায় পরিণত হয়। ছবিতেই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, সড়কের মাঝখানে বিশাল গর্তে নোংরা পানি জমে আছে, যা এড়িয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, "সরকারের এত বড় বরাদ্দের টাকা কি তবে হরিলুট হলো ? ৩ মাসের মাথায় যদি রাস্তার এই দশা হয়, তবে কাজের মান কেমন ছিল তা সহজেই অনুমেয়।"

স্থানীয় বাসিন্দারা কাজের মান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, তদারকির দায়িত্বে থাকা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কাজের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত হাস্যকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন। এলাকাবাসী লক্ষ্য করেছেন, এলজিইডি অফিস থেকে রাস্তার কাজ করতে আসা চারজন লোকের মধ্যে তিনজনই দাঁড়িয়ে থাকেন এবং মাত্র একজন কাজ করেন! কাজের ক্ষেত্রে এমন চরম অবহেলা ও উদাসীনতার কারণেই রাস্তাটি এত দ্রুত টেকসইহীন হয়ে ভেঙে পড়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ জনগণ।

এলাকাবাসীর দাবি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী,সরাইল থানা পুলিশ প্রশাসন, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। রাস্তাটির এই বেহাল দশার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বর্তমান পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর জোর দাবি—অবিলম্বে এই সড়কটির টেকসই ও মানসম্মত পুনঃমেরামত করা হোক। একই সাথে, সরকারি টাকা অপচয়ের পেছনে দায়ী ঠিকাদার এবং তদারকিতে অবহেলাকারী এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ স্থানীয় জনগণের।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সরাইলে ৩ মাসেই বেহাল সড়ক: সংস্কারে গাফিলতি ও হরিলুটের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

নির্মাণের মাত্র ৩ থেকে ৪ মাস পার হতে না হতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার 'পাঠান পাড়া থেকে সরাইল অন্নদা মোড়' পর্যন্ত সড়কটি এখন চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত আর জলকাদা। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও এই পথে চলাচলকারী হাজারো মানুষ।

সরকারের বরাদ্দের টাকা এভাবে বিফলে যাওয়ায় এবং এলজিইডি (LGED) কর্মকর্তাদের দায়িত্বে চরম অবহেলার কারণে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাত্র কয়েক মাস আগে সংস্কার করা রাস্তাটির পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলোতে কাদাপানি জমে ছোটখাটো ডোবায় পরিণত হয়। ছবিতেই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, সড়কের মাঝখানে বিশাল গর্তে নোংরা পানি জমে আছে, যা এড়িয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, "সরকারের এত বড় বরাদ্দের টাকা কি তবে হরিলুট হলো ? ৩ মাসের মাথায় যদি রাস্তার এই দশা হয়, তবে কাজের মান কেমন ছিল তা সহজেই অনুমেয়।"

স্থানীয় বাসিন্দারা কাজের মান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, তদারকির দায়িত্বে থাকা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কাজের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত হাস্যকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন। এলাকাবাসী লক্ষ্য করেছেন, এলজিইডি অফিস থেকে রাস্তার কাজ করতে আসা চারজন লোকের মধ্যে তিনজনই দাঁড়িয়ে থাকেন এবং মাত্র একজন কাজ করেন! কাজের ক্ষেত্রে এমন চরম অবহেলা ও উদাসীনতার কারণেই রাস্তাটি এত দ্রুত টেকসইহীন হয়ে ভেঙে পড়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ জনগণ।

এলাকাবাসীর দাবি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী,সরাইল থানা পুলিশ প্রশাসন, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। রাস্তাটির এই বেহাল দশার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বর্তমান পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর জোর দাবি—অবিলম্বে এই সড়কটির টেকসই ও মানসম্মত পুনঃমেরামত করা হোক। একই সাথে, সরকারি টাকা অপচয়ের পেছনে দায়ী ঠিকাদার এবং তদারকিতে অবহেলাকারী এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ স্থানীয় জনগণের।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত