নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পৃথক দুটি ঘটনায় এক গৃহবধূ ও মালয়েশিয়াফেরত এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের বড় বিনাইরচর ও ফতেপুর ইউনিয়নের কাইমপুর এলাকায় এ দুটি ঘটনা ঘটে।
পারিবারিক কলহের জেরে তারা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের বড় বিনাইরচর এলাকায় আমেনা আক্তার মায়া (৪২) নামে দুই সন্তানের জননীর মরদেহ নিজ বসতঘর থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা এবং তার স্বামীর নাম আসলাম হোসেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, পারিবারিক কলহের জেরে মায়া আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কাইমপুর (জোয়ার হামছাদী) এলাকায় মজিবুর রহমান (২৮) নামে এক মালয়েশিয়াফেরত যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত ইব্রাহিমের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস আগে তিনি মালয়েশিয়া থেকে ছুটিতে বাড়িতে আসেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে গত ১৬ জুলাই মজিবুর বিষাক্ত কীটনাশক পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে তার মৃত্যু হয়।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন জানান, আমেনা আক্তার মায়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, মজিবুর রহমানের মরদেহের ময়নাতদন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, দুটি ঘটনারই প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পৃথক দুটি ঘটনায় এক গৃহবধূ ও মালয়েশিয়াফেরত এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের বড় বিনাইরচর ও ফতেপুর ইউনিয়নের কাইমপুর এলাকায় এ দুটি ঘটনা ঘটে।
পারিবারিক কলহের জেরে তারা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের বড় বিনাইরচর এলাকায় আমেনা আক্তার মায়া (৪২) নামে দুই সন্তানের জননীর মরদেহ নিজ বসতঘর থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা এবং তার স্বামীর নাম আসলাম হোসেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, পারিবারিক কলহের জেরে মায়া আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কাইমপুর (জোয়ার হামছাদী) এলাকায় মজিবুর রহমান (২৮) নামে এক মালয়েশিয়াফেরত যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত ইব্রাহিমের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস আগে তিনি মালয়েশিয়া থেকে ছুটিতে বাড়িতে আসেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে গত ১৬ জুলাই মজিবুর বিষাক্ত কীটনাশক পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে তার মৃত্যু হয়।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন জানান, আমেনা আক্তার মায়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, মজিবুর রহমানের মরদেহের ময়নাতদন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, দুটি ঘটনারই প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন