চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের ১৩টি চিনিকল বি-রাষ্ট্রীয়করণ (বেসরকারীকরণ) সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ঢাকার মতিঝিলস্থ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ভবনের ৮ম তলার সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যৌথ সভায় আখচাষী ফেডারেশন ও বিভিন্ন চিনিকলের সিবিএ নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ, যুগ্ম আহ্বায়ক কাইয়ুম হোসেন, নূর পলাশ, হাফিজুল ইসলাম এবং বিভিন্ন স্তরের শ্রমিক প্রতিনিধিরা।
সভায় রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ সরকারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সরকার চিনিকলসহ দেশের ৪৪টি শিল্প কলকারখানা বি-রাষ্ট্রীয়করণের মাধ্যমে যে গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে, তার ফলে দেশে ব্যাপক হারে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাবে।
তিনি সরকারের ভর্তুকি নীতির সমালোচনা করে আরও বলেন, সরকার দেশের প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তুকি দিয়ে থাকে। কিন্তু দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ভারী শিল্প হওয়া সত্ত্বেও চিনিকলগুলোতে ভর্তুকি দিতে কেন গড়িমসি করা হচ্ছে, তা বোধগম্য নয়।
যৌথ সভা থেকে চিনি ও খাদ্য শিল্প রক্ষায় আগামী ১০ আগস্ট ‘মার্চ টু পিএমও’ (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা) কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে ওই দিন সকাল ৯:৩০ মিনিটের মধ্যে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সর্বস্তরের শ্রমিক ও প্রতিনিধিদের উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের ১৩টি চিনিকল বি-রাষ্ট্রীয়করণ (বেসরকারীকরণ) সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ঢাকার মতিঝিলস্থ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ভবনের ৮ম তলার সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যৌথ সভায় আখচাষী ফেডারেশন ও বিভিন্ন চিনিকলের সিবিএ নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ, যুগ্ম আহ্বায়ক কাইয়ুম হোসেন, নূর পলাশ, হাফিজুল ইসলাম এবং বিভিন্ন স্তরের শ্রমিক প্রতিনিধিরা।
সভায় রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ সরকারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সরকার চিনিকলসহ দেশের ৪৪টি শিল্প কলকারখানা বি-রাষ্ট্রীয়করণের মাধ্যমে যে গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে, তার ফলে দেশে ব্যাপক হারে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাবে।
তিনি সরকারের ভর্তুকি নীতির সমালোচনা করে আরও বলেন, সরকার দেশের প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তুকি দিয়ে থাকে। কিন্তু দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ভারী শিল্প হওয়া সত্ত্বেও চিনিকলগুলোতে ভর্তুকি দিতে কেন গড়িমসি করা হচ্ছে, তা বোধগম্য নয়।
যৌথ সভা থেকে চিনি ও খাদ্য শিল্প রক্ষায় আগামী ১০ আগস্ট ‘মার্চ টু পিএমও’ (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা) কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে ওই দিন সকাল ৯:৩০ মিনিটের মধ্যে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সর্বস্তরের শ্রমিক ও প্রতিনিধিদের উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন