ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় মোঃ সোহু মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ছয়টি রগকেটেদিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এই নৃশংস ঘটনার পর সরাইল থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের বড়ইচাড়া গ্রামের চকবাজারে রিপন মিয়া নামের এক ব্যক্তি চায়ের দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলে। বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে হেলাল মিয়া, মিলন মিয়া, রিপন মিয়া ও মোমেন মিয়াসহ ৮ জনের একটি চক্র স্থানীয় ও আশেপাশের গ্রামের যুবসমাজের কাছে তা বিক্রি করতো।যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে সম্প্রতি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি মোঃ আজগর আলী মাস্টার, পাকশিমুল ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শওকত মিয়া, সহ-সভাপতি মঞ্জু মিয়া এবং ভুক্তভোগী সোহু মিয়াসহ আরও কয়েকজন ওই মাদক বিক্রিতাকে বাধা দেন এবং আসামিদের এই কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেন। এতে চরম ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের ওপর চড়াও হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।এরই জেরে গত ২৪ জুন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ ঘটিকার সময় মোঃ সোহু মিয়া চকবাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওত পেতে থাকা রিপন মিয়া, মিলন মিয়া, মোমেন মিয়াসহ তাদের সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র, দা ও ছুরি নিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।এই ঘটনার পর আহত সোহু মিয়ার স্ত্রী ময়না বেগম বাদী হয়ে গত ২৬ জুন সরাইল থানায় ৮ জনকে আসামি করে সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ৩৮)। মামলার বিষয়ে রিপন মিয়ার দোকানে গেলে রিপন কে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া তার দোকানে কোন নাম্বার বা সাইনবোর্ডও নেই যার কারণে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, "মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এক ব্যক্তির ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। মাদকের সঙ্গে জড়িত এবং এই হামলার সাথে যুক্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে এলাকার যুবসমাজ রক্ষা ও এই নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়া আসামি গ্রেফতার না হলে তারা মানববন্ধন করবে বলেও সাংবাদিকদের কে জানান।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় মোঃ সোহু মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ছয়টি রগকেটেদিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এই নৃশংস ঘটনার পর সরাইল থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের বড়ইচাড়া গ্রামের চকবাজারে রিপন মিয়া নামের এক ব্যক্তি চায়ের দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলে। বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে হেলাল মিয়া, মিলন মিয়া, রিপন মিয়া ও মোমেন মিয়াসহ ৮ জনের একটি চক্র স্থানীয় ও আশেপাশের গ্রামের যুবসমাজের কাছে তা বিক্রি করতো।যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে সম্প্রতি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি মোঃ আজগর আলী মাস্টার, পাকশিমুল ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শওকত মিয়া, সহ-সভাপতি মঞ্জু মিয়া এবং ভুক্তভোগী সোহু মিয়াসহ আরও কয়েকজন ওই মাদক বিক্রিতাকে বাধা দেন এবং আসামিদের এই কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেন। এতে চরম ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের ওপর চড়াও হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।এরই জেরে গত ২৪ জুন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ ঘটিকার সময় মোঃ সোহু মিয়া চকবাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওত পেতে থাকা রিপন মিয়া, মিলন মিয়া, মোমেন মিয়াসহ তাদের সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র, দা ও ছুরি নিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।এই ঘটনার পর আহত সোহু মিয়ার স্ত্রী ময়না বেগম বাদী হয়ে গত ২৬ জুন সরাইল থানায় ৮ জনকে আসামি করে সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ৩৮)। মামলার বিষয়ে রিপন মিয়ার দোকানে গেলে রিপন কে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া তার দোকানে কোন নাম্বার বা সাইনবোর্ডও নেই যার কারণে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, "মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এক ব্যক্তির ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। মাদকের সঙ্গে জড়িত এবং এই হামলার সাথে যুক্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে এলাকার যুবসমাজ রক্ষা ও এই নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়া আসামি গ্রেফতার না হলে তারা মানববন্ধন করবে বলেও সাংবাদিকদের কে জানান।

আপনার মতামত লিখুন