ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার বেবিচক কর্মকর্তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড


প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার বেবিচক কর্মকর্তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি


ঘুষ গ্রহণের সময় গ্রেফতার বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট এইচ. এম রাশেদ সরকারকে দুদকের করা মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।   

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।  

দুদক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, “দণ্ডের পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাস কারাভোগ করতে হবে।” 

অর্থদণ্ডের টাকা অভিযোগকারীকে দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

রায় ঘোষণার আগে জামিনে থাকা রাশেদ সরকার আদালতে হাজির হন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। 

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রাকিব হাসান বেবিচকের সিপিএল লাইসেন্স প্রদানের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ধাপ ‘এয়ার ল’ পরীক্ষায় ২০১৮ সালে উত্তীর্ণ হন। সিপিএল লাইসেন্স পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষার ফি বাবদ ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর চার হাজার টাকা জমা দিয়ে আবেদন করেন। রাশেদ সরকার বেবিচক, কুর্মিটোলা ঢাকার জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট হিসেবে অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ২৭ নভেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর ওই আবেদন বাতিল করেন। রাকিব হাসানকে ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার জন্য মোবাইল ফোনে রাকিবের কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। অনৈতিক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে দাবি করা এক লাখ টাকা ৬ ডিসেম্বর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরে বিএফসিতে গিয়ে দিয়ে আসেন। দুদকের ফাঁদ টিমের সদস্যরা রাশেদকে চ্যালেঞ্জ করলে রাকিব হাসানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন রাশেদ। পরে তাকে সেখান থেকেই গ্রেফতার করে দুদক।  

এই ঘটনায় দুদকের সহকারি পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এই মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালাম ২০২২ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০২৩ সালের ৬ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। বিচার চলাকালে আদালত ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামির নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেয়। আসামির আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আজ আসামির সাজার রায় এলো। 

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার বেবিচক কর্মকর্তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image


ঘুষ গ্রহণের সময় গ্রেফতার বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট এইচ. এম রাশেদ সরকারকে দুদকের করা মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।   

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।  

দুদক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, “দণ্ডের পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাস কারাভোগ করতে হবে।” 

অর্থদণ্ডের টাকা অভিযোগকারীকে দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

রায় ঘোষণার আগে জামিনে থাকা রাশেদ সরকার আদালতে হাজির হন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। 

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রাকিব হাসান বেবিচকের সিপিএল লাইসেন্স প্রদানের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ধাপ ‘এয়ার ল’ পরীক্ষায় ২০১৮ সালে উত্তীর্ণ হন। সিপিএল লাইসেন্স পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষার ফি বাবদ ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর চার হাজার টাকা জমা দিয়ে আবেদন করেন। রাশেদ সরকার বেবিচক, কুর্মিটোলা ঢাকার জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট হিসেবে অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ২৭ নভেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর ওই আবেদন বাতিল করেন। রাকিব হাসানকে ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার জন্য মোবাইল ফোনে রাকিবের কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। অনৈতিক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে দাবি করা এক লাখ টাকা ৬ ডিসেম্বর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরে বিএফসিতে গিয়ে দিয়ে আসেন। দুদকের ফাঁদ টিমের সদস্যরা রাশেদকে চ্যালেঞ্জ করলে রাকিব হাসানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন রাশেদ। পরে তাকে সেখান থেকেই গ্রেফতার করে দুদক।  

এই ঘটনায় দুদকের সহকারি পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এই মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালাম ২০২২ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০২৩ সালের ৬ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। বিচার চলাকালে আদালত ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামির নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেয়। আসামির আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আজ আসামির সাজার রায় এলো। 


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত