ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই: রেলপথ মন্ত্রী



পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই: রেলপথ মন্ত্রী

রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি অপসারণে কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই; বরং এটি প্রকল্পের নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচে চলমান ডিমোবিলাইজেশন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় ভারী যন্ত্রপাতি চলাচলের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে ভরাট করা মাটি এখন প্রকল্পের নকশা ও চুক্তি অনুযায়ী অপসারণ করা হচ্ছে। এতে রেললাইন বা সেতুর কাঠামোর কোনো ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না। বরং প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্বার্থেই এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকল্পের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার অংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার এলাকায় গড়ে সাড়ে তিন ফুট গভীর পর্যন্ত মাটি অপসারণ করা হবে। পুরো কাঠামো প্রকৌশলগতভাবে নিরাপদ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের স্বার্থে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করছে।

পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই: রেলপথ মন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি অপসারণে কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই; বরং এটি প্রকল্পের নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচে চলমান ডিমোবিলাইজেশন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় ভারী যন্ত্রপাতি চলাচলের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে ভরাট করা মাটি এখন প্রকল্পের নকশা ও চুক্তি অনুযায়ী অপসারণ করা হচ্ছে। এতে রেললাইন বা সেতুর কাঠামোর কোনো ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না। বরং প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্বার্থেই এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকল্পের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার অংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার এলাকায় গড়ে সাড়ে তিন ফুট গভীর পর্যন্ত মাটি অপসারণ করা হবে। পুরো কাঠামো প্রকৌশলগতভাবে নিরাপদ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের স্বার্থে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করছে।

পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত