ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

মানবিকতার অনন্য ফেরিওয়ালা তৌহিদ আফ্রিদি



মানবিকতার অনন্য ফেরিওয়ালা তৌহিদ আফ্রিদি
ছবি: প্রতিনিধি

ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে যিনি লাখো-কোটি মানুষকে বিনোদন দেন, ক্যামেরার পেছনে তিনিই আবার হয়ে ওঠেন হাজারো অসহায় মানুষের আশার আলো। তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। অল্প বয়সেই তিনি অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নিজের অর্জিত বিপুল অর্থ বিলাসবহুল জীবনযাপনে ব্যয় না করে, বিলিয়ে দিয়েছেন আর্তমানবতার সেবায়। বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি দেশব্যাপী পরিচিত এক মানবিক ফেরিওয়ালা হিসেবে।

শিকড় ও পরিচয়

তৌহিদ আফ্রিদির গ্রামের বাড়ি নদীমাতৃক বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বেড়ে উঠেছেন ঢাকায় ।দেশের অন্যতম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল 'মাই টিভি'র চেয়ারম্যানের সুযোগ্য সন্তান। পারিবারিক সুবাদে এক জনাকীর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা সত্ত্বেও, আফ্রিদি নিজের পরিশ্রমে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব এক পরিচয় । কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে কেবল পেশা বা শখ হিসেবে নেননি, বরং এটিকে বানিয়েছেন মানুষের কল্যাণে কাজ করার এক শক্তিশালী মাধ্যম।

আয়ের অধিকাংশই উৎসর্গ করেছেন মানুষের কল্যাণে

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে তৌহিদ আফ্রিদির আয় ছিলো আকাশচুম্বী। কিন্তু এক বুক উদারতা নিয়ে তিনি তাঁর এই উপার্জনের প্রায় সবটুকুই ঢেলে দিয়েছেন মানুষের কল্যাণে। যেখানে অনেক তরুণ নিজেদের ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে আফ্রিদি ভাবেন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের নিয়ে। তাঁর এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ সাধারণ মানুষের হৃদয়ে তাঁকে এক বিশেষ আসনে বসিয়েছে।

দুর্যোগের চেনা মুখ: 

যেখানেই সংকট, সেখানেই আফ্রিদি

দেশের যেকোনো দুর্যোগে—তা তীব্র বন্যা হোক কিংবা হাড় কাঁপানো শীত—আফ্রিদি ঘরে বসে থাকতে পারেন না। বন্যার পানিতে যখন মাইলের পর মাইল তলিয়ে যায়, যখন মানুষের হাহাকারে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে, তখন ত্রাণসামগ্রী কাঁধে নিয়ে সবার আগে ছুটে যান এই তরুণ।

 বন্যাদুর্গত এলাকায় ছুটে চলা: দুর্গম বানভাসি এলাকায় নিজে উপস্থিত হয়ে হাজার হাজার পরিবারের মাঝে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধ বিতরণ করেছেন তিনি।

 শীতবস্ত্র বিতরণ: তীব্র শীতে কাপতে থাকা ফুটপাতের মানুষ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায়দের মাঝে প্রতি বছর উষ্ণতার ছোঁয়া পৌঁছে দেন আফ্রিদি।

 অসুস্থদের পাশে দাঁড়ানো: দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারা অসংখ্য মানুষের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে বারবার উঠে এসেছে তাঁর এই নিঃশব্দে করে যাওয়া মানবিক কাজের চিত্র।

"মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার চেয়ে বড় কোনো প্রাপ্তি হতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা আমাকে যতটুকু দিয়েছেন, তা যদি মানুষের উপকারে না আসে, তবে এই জীবনের কোনো মূল্য নেই।"সবসময় বলতেন তৌহিদ আফ্রিদি।

তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

তৌহিদ আফ্রিদি প্রমাণ করেছেন যে, তরুণ সমাজ চাইলে কেবল বিনোদন নয়, সমাজ পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হতে পারে। তাঁর এই মানবিক কার্যক্রম শুধু মানুষের কষ্টই লাঘব করছে না, বরং দেশের লাখো তরুণকে সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করছে।দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় বাংলাদেশের এক ইতিবাচক প্রতিনিধি। বিনোদন জগতের তারকা থেকে বাস্তবের 'মানবতার তারকা' হয়ে ওঠা তৌহিদ আফ্রিদির এই পথচলা চিরকাল অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।


কোটি ভক্তের আকুল আবেদন: "আবারো ফিরুন আফ্রিদি"

বিনোদনের আঙিনা থেকে শুরু করে মানবিকতার দেয়াল—সবখানেই আজ তৌহিদ আফ্রিদির শূন্যতা অনুভব করছে তাঁর কোটি ভক্ত। বেশ কিছু দিন ধরে ডিজিটাল পর্দায় তাঁর নতুন কনটেন্টের নিয়মিত উপস্থিতি না থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে মন খারাপের হাওয়া। ভক্তদের মতে, আফ্রিদি কেবল একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর নন, তিনি কোটি তরুণের হাসিমুখ আর প্রেরণার নাম। পর্দায় তাঁর সেই চেনা চঞ্চলতা, রসবোধ আর পজিটিভ ভাইব দেখতে উন্মুখ হয়ে আছেন দর্শকেরা। দেশের আনাচ-কানাচ থেকে কোটি ভক্তের এখন একটাই আকুল আবেদন—সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তৌহিদ আফ্রিদি আবারো ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন, নতুন কনটেন্ট নিয়ে চিরচেনা রূপে ফিরবেন এবং তাঁর চিরপরিচিত হাসিতে আবারো মাতিয়ে তুলবেন ডিজিটাল দুনিয়া।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মানবিকতার অনন্য ফেরিওয়ালা তৌহিদ আফ্রিদি

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে যিনি লাখো-কোটি মানুষকে বিনোদন দেন, ক্যামেরার পেছনে তিনিই আবার হয়ে ওঠেন হাজারো অসহায় মানুষের আশার আলো। তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। অল্প বয়সেই তিনি অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নিজের অর্জিত বিপুল অর্থ বিলাসবহুল জীবনযাপনে ব্যয় না করে, বিলিয়ে দিয়েছেন আর্তমানবতার সেবায়। বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি দেশব্যাপী পরিচিত এক মানবিক ফেরিওয়ালা হিসেবে।

শিকড় ও পরিচয়

তৌহিদ আফ্রিদির গ্রামের বাড়ি নদীমাতৃক বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বেড়ে উঠেছেন ঢাকায় ।দেশের অন্যতম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল 'মাই টিভি'র চেয়ারম্যানের সুযোগ্য সন্তান। পারিবারিক সুবাদে এক জনাকীর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা সত্ত্বেও, আফ্রিদি নিজের পরিশ্রমে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব এক পরিচয় । কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে কেবল পেশা বা শখ হিসেবে নেননি, বরং এটিকে বানিয়েছেন মানুষের কল্যাণে কাজ করার এক শক্তিশালী মাধ্যম।

আয়ের অধিকাংশই উৎসর্গ করেছেন মানুষের কল্যাণে

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে তৌহিদ আফ্রিদির আয় ছিলো আকাশচুম্বী। কিন্তু এক বুক উদারতা নিয়ে তিনি তাঁর এই উপার্জনের প্রায় সবটুকুই ঢেলে দিয়েছেন মানুষের কল্যাণে। যেখানে অনেক তরুণ নিজেদের ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে আফ্রিদি ভাবেন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের নিয়ে। তাঁর এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ সাধারণ মানুষের হৃদয়ে তাঁকে এক বিশেষ আসনে বসিয়েছে।

দুর্যোগের চেনা মুখ: 

যেখানেই সংকট, সেখানেই আফ্রিদি

দেশের যেকোনো দুর্যোগে—তা তীব্র বন্যা হোক কিংবা হাড় কাঁপানো শীত—আফ্রিদি ঘরে বসে থাকতে পারেন না। বন্যার পানিতে যখন মাইলের পর মাইল তলিয়ে যায়, যখন মানুষের হাহাকারে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে, তখন ত্রাণসামগ্রী কাঁধে নিয়ে সবার আগে ছুটে যান এই তরুণ।

 বন্যাদুর্গত এলাকায় ছুটে চলা: দুর্গম বানভাসি এলাকায় নিজে উপস্থিত হয়ে হাজার হাজার পরিবারের মাঝে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধ বিতরণ করেছেন তিনি।

 শীতবস্ত্র বিতরণ: তীব্র শীতে কাপতে থাকা ফুটপাতের মানুষ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায়দের মাঝে প্রতি বছর উষ্ণতার ছোঁয়া পৌঁছে দেন আফ্রিদি।

 অসুস্থদের পাশে দাঁড়ানো: দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারা অসংখ্য মানুষের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে বারবার উঠে এসেছে তাঁর এই নিঃশব্দে করে যাওয়া মানবিক কাজের চিত্র।

"মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার চেয়ে বড় কোনো প্রাপ্তি হতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা আমাকে যতটুকু দিয়েছেন, তা যদি মানুষের উপকারে না আসে, তবে এই জীবনের কোনো মূল্য নেই।"সবসময় বলতেন তৌহিদ আফ্রিদি।

তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

তৌহিদ আফ্রিদি প্রমাণ করেছেন যে, তরুণ সমাজ চাইলে কেবল বিনোদন নয়, সমাজ পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হতে পারে। তাঁর এই মানবিক কার্যক্রম শুধু মানুষের কষ্টই লাঘব করছে না, বরং দেশের লাখো তরুণকে সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করছে।দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় বাংলাদেশের এক ইতিবাচক প্রতিনিধি। বিনোদন জগতের তারকা থেকে বাস্তবের 'মানবতার তারকা' হয়ে ওঠা তৌহিদ আফ্রিদির এই পথচলা চিরকাল অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।


কোটি ভক্তের আকুল আবেদন: "আবারো ফিরুন আফ্রিদি"

বিনোদনের আঙিনা থেকে শুরু করে মানবিকতার দেয়াল—সবখানেই আজ তৌহিদ আফ্রিদির শূন্যতা অনুভব করছে তাঁর কোটি ভক্ত। বেশ কিছু দিন ধরে ডিজিটাল পর্দায় তাঁর নতুন কনটেন্টের নিয়মিত উপস্থিতি না থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে মন খারাপের হাওয়া। ভক্তদের মতে, আফ্রিদি কেবল একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর নন, তিনি কোটি তরুণের হাসিমুখ আর প্রেরণার নাম। পর্দায় তাঁর সেই চেনা চঞ্চলতা, রসবোধ আর পজিটিভ ভাইব দেখতে উন্মুখ হয়ে আছেন দর্শকেরা। দেশের আনাচ-কানাচ থেকে কোটি ভক্তের এখন একটাই আকুল আবেদন—সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তৌহিদ আফ্রিদি আবারো ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন, নতুন কনটেন্ট নিয়ে চিরচেনা রূপে ফিরবেন এবং তাঁর চিরপরিচিত হাসিতে আবারো মাতিয়ে তুলবেন ডিজিটাল দুনিয়া।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত