ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

১১ বছর আগে স্ত্রী হত্যা: মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেলেন স্বামী



১১ বছর আগে স্ত্রী হত্যা: মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেলেন স্বামী
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

প্রায় ১১ বছর আগে রাজধানীর উত্তরায় স্ত্রী সোনিয়াকে হত্যার অভিযোগে অধস্তন আদালতে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়েছেন আসামি মশিউর রহমান সুখন।

আসামির ডেথ রেফারেন্স খারিজ ও আপিল মঞ্জুর করে রবিবার (২৮ জুন) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট মো. এহসান হাবিব। অন‍্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।

এর আগে ২৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে সোনিয়াকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগে ২০১৫ সালের ৮ আগস্ট উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন তার ভাই আব্দুল্লাহেল রাফী। এ মামলার বিচার শেষে ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ সোনিয়ার স্বামী মশিউর রহমান সুখনের মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক শরীফ উদ্দীন।

পরে আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল করেন।

আসামির খালাস প্রসঙ্গে আইনজীবী এহসান হাবিব জানান, সোনিয়ার মৃত্যু হয় ২০১৫ সালের ২৫ জুলাই। ঘটনার ১৩ দিন পর ৮ আগস্ট মামলা করা হয়। চিকিৎসক এসে সোনিয়াকে মৃত ঘোষণা করে সার্টিফিকেট দেন। কিন্তু মামলায় চিকৎসককে সাক্ষী করা হয়নি। এছাড়া ময়নাতদন্তেও নানান গড়মিল ছিল।

এ মামলার বাদীপক্ষ সোনিয়ার মৃত্যুর পর তাকে স্বাভাবিকভাবে তার বাবার বাড়িতে দাফন করে। কিন্তু ১৩ দিন পরে তারা ২৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে হত্যা মামলা করে; যা আদালতের কাছে প্রমাণিত হয়নি। এ জন্য আসামি হাইকোর্টে খালাস পেয়েছেন বলেও আইনজীবী জানান।  

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১১ বছর আগে স্ত্রী হত্যা: মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেলেন স্বামী

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

প্রায় ১১ বছর আগে রাজধানীর উত্তরায় স্ত্রী সোনিয়াকে হত্যার অভিযোগে অধস্তন আদালতে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়েছেন আসামি মশিউর রহমান সুখন।

আসামির ডেথ রেফারেন্স খারিজ ও আপিল মঞ্জুর করে রবিবার (২৮ জুন) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট মো. এহসান হাবিব। অন‍্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।

এর আগে ২৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে সোনিয়াকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগে ২০১৫ সালের ৮ আগস্ট উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন তার ভাই আব্দুল্লাহেল রাফী। এ মামলার বিচার শেষে ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ সোনিয়ার স্বামী মশিউর রহমান সুখনের মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক শরীফ উদ্দীন।

পরে আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল করেন।

আসামির খালাস প্রসঙ্গে আইনজীবী এহসান হাবিব জানান, সোনিয়ার মৃত্যু হয় ২০১৫ সালের ২৫ জুলাই। ঘটনার ১৩ দিন পর ৮ আগস্ট মামলা করা হয়। চিকিৎসক এসে সোনিয়াকে মৃত ঘোষণা করে সার্টিফিকেট দেন। কিন্তু মামলায় চিকৎসককে সাক্ষী করা হয়নি। এছাড়া ময়নাতদন্তেও নানান গড়মিল ছিল।

এ মামলার বাদীপক্ষ সোনিয়ার মৃত্যুর পর তাকে স্বাভাবিকভাবে তার বাবার বাড়িতে দাফন করে। কিন্তু ১৩ দিন পরে তারা ২৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে হত্যা মামলা করে; যা আদালতের কাছে প্রমাণিত হয়নি। এ জন্য আসামি হাইকোর্টে খালাস পেয়েছেন বলেও আইনজীবী জানান।  


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত