কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালারপাড়া টোংগার ডেবা (দক্ষিণ পাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম সৈয়দ হোসেন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা মোজাফফর মিয়ার মেজ ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহে জড়িয়ে ছিলেন সৈয়দ হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার জের ধরেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে রামু থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয়দের জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো পরকীয়া প্রেমিকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালারপাড়া টোংগার ডেবা (দক্ষিণ পাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম সৈয়দ হোসেন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা মোজাফফর মিয়ার মেজ ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহে জড়িয়ে ছিলেন সৈয়দ হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার জের ধরেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে রামু থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয়দের জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো পরকীয়া প্রেমিকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন