একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শুধু অন্ধত্ব ও রাতকানা প্রতিরোধেই নয়, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং ও জেলা অবহিতকরণ-কর্মপরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমান।
জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও হামজনিত জটিলতা কমাতে সহায়তা করে এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তিনি আরও বলেন, সচেতনতার অভাবে কোনো শিশুই যেন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না পড়ে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অপুষ্টি ও ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতিজনিত ঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় এ ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো জেলার কোনো শিশুই যেন জীবনরক্ষাকারী এই ক্যাপসুল থেকে বঞ্চিত না হয়। বিশেষ করে বস্তি এলাকা, ভাসমান জনগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের নির্ধারিত কেন্দ্রে এনে ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জাতীয়ভাবে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৫ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে ডিসি রায়হান কবির বলেন, সাংবাদিকরা সমাজে সচেতনতা তৈরির অন্যতম প্রধান মাধ্যম। আপনাদের লেখনী ও প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকরা সচেতন হবেন এবং সন্তানদের নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন। তাই জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের গুরুত্ব জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সংবাদমাধ্যমকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি জাতীয় পুষ্টি সেবা, সেভ দ্য চিলড্রেন, বিভিন্ন এনজিও, স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানের প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নারায়ণগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীসহ জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শুধু অন্ধত্ব ও রাতকানা প্রতিরোধেই নয়, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং ও জেলা অবহিতকরণ-কর্মপরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমান।
জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও হামজনিত জটিলতা কমাতে সহায়তা করে এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তিনি আরও বলেন, সচেতনতার অভাবে কোনো শিশুই যেন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না পড়ে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অপুষ্টি ও ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতিজনিত ঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় এ ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো জেলার কোনো শিশুই যেন জীবনরক্ষাকারী এই ক্যাপসুল থেকে বঞ্চিত না হয়। বিশেষ করে বস্তি এলাকা, ভাসমান জনগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের নির্ধারিত কেন্দ্রে এনে ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জাতীয়ভাবে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৫ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে ডিসি রায়হান কবির বলেন, সাংবাদিকরা সমাজে সচেতনতা তৈরির অন্যতম প্রধান মাধ্যম। আপনাদের লেখনী ও প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকরা সচেতন হবেন এবং সন্তানদের নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন। তাই জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের গুরুত্ব জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সংবাদমাধ্যমকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি জাতীয় পুষ্টি সেবা, সেভ দ্য চিলড্রেন, বিভিন্ন এনজিও, স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানের প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নারায়ণগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীসহ জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন