নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত ব্যক্তিদের ২৮টি পরিবারের মাঝে ১ কোটি ১৮ লাখ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এ অনুদানের চেক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় হারানো স্বজনদের কোনোভাবেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। অর্থ দিয়েও সেই শূন্যতা পূরণ করা যায় না। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার দায়িত্ববোধ থেকেই সরকার এই সহায়তা প্রদান করছে। তিনি সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে সকলকে আরও সচেতন ও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান।
বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আহত ও নিহতদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত স্থায়ী অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ অনুদান দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি পরিবারকে ৫ লাখ টাকা, ৫টি পরিবারকে ৩ লাখ টাকা এবং ৩টি পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে চেক প্রদান করা হয়।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাফী বিন কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মো. শামীম হোসাইন, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার মেহেদী হাসান, মোটরযান পরিদর্শক উসমান গনি এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত ব্যক্তিদের ২৮টি পরিবারের মাঝে ১ কোটি ১৮ লাখ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এ অনুদানের চেক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় হারানো স্বজনদের কোনোভাবেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। অর্থ দিয়েও সেই শূন্যতা পূরণ করা যায় না। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার দায়িত্ববোধ থেকেই সরকার এই সহায়তা প্রদান করছে। তিনি সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে সকলকে আরও সচেতন ও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান।
বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আহত ও নিহতদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত স্থায়ী অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ অনুদান দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি পরিবারকে ৫ লাখ টাকা, ৫টি পরিবারকে ৩ লাখ টাকা এবং ৩টি পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে চেক প্রদান করা হয়।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাফী বিন কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মো. শামীম হোসাইন, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার মেহেদী হাসান, মোটরযান পরিদর্শক উসমান গনি এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন