চার বছর আগে চট্টগ্রাম নগরীকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। নিষ্পাপ শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে সাগর ও খালের পাশে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় আজ আদালত প্রধান আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।
বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, এটি ছিল একটি পূর্বপরিকল্পিত, নৃশংস, নির্মম ও সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী অপরাধ। আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, আলামত উদ্ধার, ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল এবং সাক্ষীদের জবানবন্দির ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত। পরে তদন্তে উঠে আসে, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে তাদের বাসার ভাড়াটিয়া আবীর আলী তাকে অপহরণ করেছিল। পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে গেলে নির্মমভাবে হত্যা করে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।
পরে পিবিআইয়ের তদন্তে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বঁটি, আয়াতের জুতা, রক্তের নমুনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষায়ও নিশ্চিত হওয়া যায় যে উদ্ধার হওয়া রক্তের নমুনা আয়াতেরই ছিল।
এই রায় শুধু একটি মামলার রায় নয়, বরং সমাজের জন্য একটি কঠোর বার্তা—শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংস অপরাধ কোনোভাবেই ছাড় পাবে না।
নিষ্পাপ শিশু আয়াতের জন্য গভীর শোক ও দোয়া রইল। পাশাপাশি তার পরিবার যে অসহনীয় কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছে, সেই শোক কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। সমাজের প্রতিটি মানুষ আজ প্রত্যাশা করে, ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিশুকে এমন নির্মম পরিণতির শিকার হতে না হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
চার বছর আগে চট্টগ্রাম নগরীকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। নিষ্পাপ শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে সাগর ও খালের পাশে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় আজ আদালত প্রধান আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।
বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, এটি ছিল একটি পূর্বপরিকল্পিত, নৃশংস, নির্মম ও সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী অপরাধ। আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, আলামত উদ্ধার, ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল এবং সাক্ষীদের জবানবন্দির ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত। পরে তদন্তে উঠে আসে, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে তাদের বাসার ভাড়াটিয়া আবীর আলী তাকে অপহরণ করেছিল। পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে গেলে নির্মমভাবে হত্যা করে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।
পরে পিবিআইয়ের তদন্তে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বঁটি, আয়াতের জুতা, রক্তের নমুনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষায়ও নিশ্চিত হওয়া যায় যে উদ্ধার হওয়া রক্তের নমুনা আয়াতেরই ছিল।
এই রায় শুধু একটি মামলার রায় নয়, বরং সমাজের জন্য একটি কঠোর বার্তা—শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংস অপরাধ কোনোভাবেই ছাড় পাবে না।
নিষ্পাপ শিশু আয়াতের জন্য গভীর শোক ও দোয়া রইল। পাশাপাশি তার পরিবার যে অসহনীয় কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছে, সেই শোক কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। সমাজের প্রতিটি মানুষ আজ প্রত্যাশা করে, ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিশুকে এমন নির্মম পরিণতির শিকার হতে না হয়।

আপনার মতামত লিখুন