যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে তাকে মধ্যমা (মিডল ফিঙ্গার) প্রদর্শন করতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় Oxford Union Society-এ আয়োজিত ‘ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান এবং বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন হাসনাত আবদুল্লাহ। একই অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাদিক কায়েম।
জানা গেছে, অনুষ্ঠান শেষে ভেন্যু ত্যাগ করার সময় যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের একটি অংশ তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। এ সময় গাড়িতে থাকা অবস্থায় তার একটি ছবি তোলা হয়, যেখানে তাকে মধ্যমা প্রদর্শন করতে দেখা যায় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়। ছবিটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই এই অঙ্গভঙ্গিকে রাজনৈতিক প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। অন্যদিকে সমালোচকদের একটি অংশের মতে, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তির এমন আচরণ কতটা শোভন বা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাটি নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে তাকে মধ্যমা (মিডল ফিঙ্গার) প্রদর্শন করতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় Oxford Union Society-এ আয়োজিত ‘ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান এবং বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন হাসনাত আবদুল্লাহ। একই অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাদিক কায়েম।
জানা গেছে, অনুষ্ঠান শেষে ভেন্যু ত্যাগ করার সময় যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের একটি অংশ তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। এ সময় গাড়িতে থাকা অবস্থায় তার একটি ছবি তোলা হয়, যেখানে তাকে মধ্যমা প্রদর্শন করতে দেখা যায় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়। ছবিটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই এই অঙ্গভঙ্গিকে রাজনৈতিক প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। অন্যদিকে সমালোচকদের একটি অংশের মতে, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তির এমন আচরণ কতটা শোভন বা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাটি নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন