বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের একটি বক্তব্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ‘ভারত–বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়া’ প্রসঙ্গে দেওয়া মন্তব্যের স্পষ্ট ব্যাখ্যা জানতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ শনিবার (১৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান। পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে আসা দিনেশ ত্রিবেদীর একটি বক্তব্য তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, ‘‘ভারত–বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বলতে তিনি কী বুঝিয়েছেন, সরকারের উচিত তার কাছ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ভারত যেমন একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশও তেমনি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। তাই এ ধরনের বক্তব্যের অর্থ পরিষ্কার না হলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি সরকারের কাছে বিষয়টি দ্রুত পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা সরকারের কাছে এ বিষয়ে সুরাহা চাই। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থেই এমন কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে তা অবশ্যই নিন্দনীয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, দুই দেশের সম্পর্ক ও কূটনৈতিক সৌজন্যের স্বার্থেই এ ধরনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা জনসম্মুখে তুলে ধরা উচিত।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের একটি বক্তব্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ‘ভারত–বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়া’ প্রসঙ্গে দেওয়া মন্তব্যের স্পষ্ট ব্যাখ্যা জানতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ শনিবার (১৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান। পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে আসা দিনেশ ত্রিবেদীর একটি বক্তব্য তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, ‘‘ভারত–বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বলতে তিনি কী বুঝিয়েছেন, সরকারের উচিত তার কাছ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ভারত যেমন একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশও তেমনি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। তাই এ ধরনের বক্তব্যের অর্থ পরিষ্কার না হলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি সরকারের কাছে বিষয়টি দ্রুত পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা সরকারের কাছে এ বিষয়ে সুরাহা চাই। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থেই এমন কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে তা অবশ্যই নিন্দনীয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, দুই দেশের সম্পর্ক ও কূটনৈতিক সৌজন্যের স্বার্থেই এ ধরনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা জনসম্মুখে তুলে ধরা উচিত।

আপনার মতামত লিখুন