নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত যুবক জোবায়ের চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গত ৩ জুন রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বন্দর উপজেলার এনায়েতনগর এলাকার ভাঙা ব্রিজের ঢালে তিন ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে। এ সময় ছিনতাইকারীদের বাধা দিলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তারা জোবায়েরকে ছুরিকাঘাত করে। পরে তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
বিকেলে নিহতের মরদেহ এলাকায় পৌঁছালে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা বন্দর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি মামলা নিতে নিহতের পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করার অভিযোগে পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদের অপসারণ ও শাস্তির দাবিও তোলেন।
পরে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা মরদেহ নিয়ে থানা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত যুবক জোবায়ের চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গত ৩ জুন রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বন্দর উপজেলার এনায়েতনগর এলাকার ভাঙা ব্রিজের ঢালে তিন ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে। এ সময় ছিনতাইকারীদের বাধা দিলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তারা জোবায়েরকে ছুরিকাঘাত করে। পরে তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
বিকেলে নিহতের মরদেহ এলাকায় পৌঁছালে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা বন্দর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি মামলা নিতে নিহতের পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করার অভিযোগে পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদের অপসারণ ও শাস্তির দাবিও তোলেন।
পরে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা মরদেহ নিয়ে থানা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

আপনার মতামত লিখুন