সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় কথিত একটি মিনি পতিতালয়ে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে অবস্থানকারী নারী-পুরুষ ও পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলার মাগুরা বিনোদ ইউনিয়নের চরহামকুড়িয়া এলাকার ৯ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন ‘বুড়ির বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করে তাড়াশ থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়িটিতে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গোপন সংবাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে অভিযান চালায়।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় বাড়ির ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা আগেই পুলিশের উপস্থিতির খবর পেয়ে যায়। ফলে পুলিশ বাড়ির ভেতরে প্রবেশের আগেই তারা পেছনের পথ ব্যবহার করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন আলামত ও কিছু সামগ্রী জব্দ করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেন, অভিযুক্ত চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল, যা স্থানীয় পরিবেশ ও যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা এ ধরনের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও ঘটনায় জড়িতদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাড়াশ উপজেলায় কোনো ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় কথিত একটি মিনি পতিতালয়ে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে অবস্থানকারী নারী-পুরুষ ও পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলার মাগুরা বিনোদ ইউনিয়নের চরহামকুড়িয়া এলাকার ৯ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন ‘বুড়ির বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করে তাড়াশ থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়িটিতে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গোপন সংবাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে অভিযান চালায়।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় বাড়ির ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা আগেই পুলিশের উপস্থিতির খবর পেয়ে যায়। ফলে পুলিশ বাড়ির ভেতরে প্রবেশের আগেই তারা পেছনের পথ ব্যবহার করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন আলামত ও কিছু সামগ্রী জব্দ করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেন, অভিযুক্ত চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল, যা স্থানীয় পরিবেশ ও যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা এ ধরনের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও ঘটনায় জড়িতদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাড়াশ উপজেলায় কোনো ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন