সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : “প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-২০২৬।
রবিবার ৭ জুন দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, সিরাজগঞ্জের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। র্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব, জনস্বাস্থ্যের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব এবং তরুণ সমাজকে আসক্তি থেকে দূরে রাখতে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় তামাক ও নিকোটিন আসক্তি প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।
বক্তারা বলেন, তামাক ও নিকোটিনের ব্যবহার শুধু ব্যক্তির স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায় না, বরং পরিবার, সমাজ ও দেশের অর্থনীতির ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে। একটি সুস্থ, নিরাপদ ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে তামাকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার করার পাশাপাশি আইন বাস্তবায়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আরও বলেন, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : “প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-২০২৬।
রবিবার ৭ জুন দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, সিরাজগঞ্জের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। র্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব, জনস্বাস্থ্যের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব এবং তরুণ সমাজকে আসক্তি থেকে দূরে রাখতে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় তামাক ও নিকোটিন আসক্তি প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।
বক্তারা বলেন, তামাক ও নিকোটিনের ব্যবহার শুধু ব্যক্তির স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায় না, বরং পরিবার, সমাজ ও দেশের অর্থনীতির ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে। একটি সুস্থ, নিরাপদ ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে তামাকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার করার পাশাপাশি আইন বাস্তবায়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আরও বলেন, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন