ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নানির বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী গ্রামে ঘটে যাওয়া এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে উপজেলার হাইজাদী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো আকিবুল (১০) ও সোয়াইব (৯)। তারা সম্পর্কে আপন দুই ভাই। দুজনই স্থানীয় তাতীপাড়া মজিবুল্লাহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। তাদের মা আখি বেগম। পরিবারের আদরের দুই সন্তানকে একসঙ্গে হারিয়ে স্বজনরা এখন শোকে পাথর হয়ে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুই শিশুর দাদার বাড়ি রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন এলাকায়। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে তারা কয়েকদিন আগে আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী গ্রামে তাদের নানির বাড়িতে বেড়াতে আসে। ঈদকে ঘিরে পরিবারজুড়ে ছিল আনন্দ-উৎসবের আমেজ। কিন্তু সেই আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় গভীর শোকে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে আকিবুল ও সোয়াইব। একপর্যায়ে তারা গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাদের কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে দুই ভাইকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
দ্রুত তাদের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল।
আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “দুই শিশুকে হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের আর কিছু করার ছিল না।”
এদিকে দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নানির বাড়িতে যেখানে ঈদের আনন্দে মুখর থাকার কথা ছিল, সেখানে এখন শুধু স্বজনদের আহাজারি আর কান্নার শব্দ। সন্তান হারানোর শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তাদের মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা শিশুদের প্রতি আরও সতর্ক নজরদারি রাখার আহ্বান জানান।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় হাইজাদী গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় গভীর শোকের আবহ বিরাজ করছে। ঈদের আনন্দের মাঝে এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নানির বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী গ্রামে ঘটে যাওয়া এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে উপজেলার হাইজাদী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো আকিবুল (১০) ও সোয়াইব (৯)। তারা সম্পর্কে আপন দুই ভাই। দুজনই স্থানীয় তাতীপাড়া মজিবুল্লাহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। তাদের মা আখি বেগম। পরিবারের আদরের দুই সন্তানকে একসঙ্গে হারিয়ে স্বজনরা এখন শোকে পাথর হয়ে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুই শিশুর দাদার বাড়ি রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন এলাকায়। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে তারা কয়েকদিন আগে আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী গ্রামে তাদের নানির বাড়িতে বেড়াতে আসে। ঈদকে ঘিরে পরিবারজুড়ে ছিল আনন্দ-উৎসবের আমেজ। কিন্তু সেই আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় গভীর শোকে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে আকিবুল ও সোয়াইব। একপর্যায়ে তারা গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাদের কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে দুই ভাইকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
দ্রুত তাদের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল।
আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “দুই শিশুকে হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের আর কিছু করার ছিল না।”
এদিকে দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নানির বাড়িতে যেখানে ঈদের আনন্দে মুখর থাকার কথা ছিল, সেখানে এখন শুধু স্বজনদের আহাজারি আর কান্নার শব্দ। সন্তান হারানোর শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তাদের মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা শিশুদের প্রতি আরও সতর্ক নজরদারি রাখার আহ্বান জানান।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় হাইজাদী গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় গভীর শোকের আবহ বিরাজ করছে। ঈদের আনন্দের মাঝে এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন