ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

ডিজেল সংকট ও অসময়ের বৃষ্টি বাধ সেধেছে খুলনার খাল খননে



ডিজেল সংকট ও অসময়ের বৃষ্টি বাধ সেধেছে খুলনার খাল খননে

খুলনা ব্যুরো : মধ্য মার্চ থেকে জ্বালানী সংকট, বৈশাখ ও জৈষ্ঠ্য মাসে দফায় দফায় বৃষ্টিতে খুলনার নয় খাল খননে বিলম্ব হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমের আগে খনন শেষ করতে চাইলেও কর্তৃপক্ষ তা পারছে না। ফলে সরকারি উদ্যোগ শতভাগ সফল হওয়া কষ্টসাধ্য। কৃষকদের আশঙ্কা সেই জলাবদ্ধতা থেকেই যাবে। 

বিএডিসি (সেচে) বটিয়াঘাটা উপজেলার মাগুরখালী, কলাতলা, কাটাখালী, গোগের খাল, দাকোপ উপজেলার পানখালী, ডুমুরিয়া উপজেলার কালীঘাট ও পাইকগাছা উপজেলার নাবার খাল খননের উদ্যোগ নেয়। জেলার দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস ইউনিয়নে ডোলভাঙ্গা থেকে কাটবুনিয়া ও রংপুর ইউনিয়নে কৃষ্ণনগর থেকে সাড়া তলা পর্যন্ত খাল খননের উদ্যোগ নেয়।

বিএডিসি (সেচ) এ বাবদ ৫ কোটি টাকা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্ধ করে। খনন প্রক্রিয়া শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজনিত কারণে ডিজেলের সংকট দেখা দেয়। বিএডিসির খালগুলো খননে চৌদ্দটি স্কেভেটর কাজ করে । প্রতিটি স্কেভেটের প্রতি ঘন্টার জন্য ১৪ লিটার ডিজেলের প্রয়োজন ছিল। দৈনিক ১৫ ঘন্টা খননের জন একটি স্কেভেটরের ২১০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। ২শ লিটার তেলের মুল্য ২০ হাজার টাকা হলেও মার্চ এপ্রিল ২৭ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়। তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান চাহিদা অনুযায়ি বিএডিসিকে জ্বালানী দিতে পারেনি। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে প্রতিটি স্কেভেটরের জন্য দৈনিক ১৬৮ লিটার জ্বালানী প্রয়োজনের কথা উল্লেখ্য করে জেলা প্রশাসকের কাছে দাপ্তরিক পত্র পাঠায়। 

বিএডিসি (সেচ) এর সহকারি প্রোকৌশলী মো. জাহিদ হাসান জ্বালানী সংকটের কথা মৌখিকভাবে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। তিনি জেলা প্রশাসনকে বলেন, গ্রামাঞ্চলে যে পরিমান জ্বালানী মজুদ রয়েছে তাতে প্রতিটি স্কেভেটর ১-২ ঘন্টার বেশি চলতে পারে না। বর্ষা মৌসুমের আগে খনন শেষ না হলে প্রকল্প ব্যর্থ হবে তিনি সংশ্লিষ্টদেরকে অবহিত হবে।

জেলা ত্রাণ পুনর্বাসন আব্দুল করিম ডুমুরিয়ার দুটি খাল অতি দরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসুচির আওতায় খনন করা হচ্ছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে অবহিত করেন। বলেন, ২৪ এপ্রিল খাল খনন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জ্বালাণী সংকট ও অসময়ে বৃষ্টির কারনে স্বাভাবিক খনন প্রক্রিয়া ব্যহত হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি খনন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদারকি করছেন। খনেন পর মাটি ব্যবহার উপযোগী ও বৃক্ষরোপন ইউনিয়ন পর্যায়ের এ কমিটি সম্পন্ন করবে। প্রকল্প সম্পন্নের পথে বাধ সেধেছে অসময়ের বৃষ্টি। 

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ডিজেল সংকট ও অসময়ের বৃষ্টি বাধ সেধেছে খুলনার খাল খননে

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬

featured Image

খুলনা ব্যুরো : মধ্য মার্চ থেকে জ্বালানী সংকট, বৈশাখ ও জৈষ্ঠ্য মাসে দফায় দফায় বৃষ্টিতে খুলনার নয় খাল খননে বিলম্ব হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমের আগে খনন শেষ করতে চাইলেও কর্তৃপক্ষ তা পারছে না। ফলে সরকারি উদ্যোগ শতভাগ সফল হওয়া কষ্টসাধ্য। কৃষকদের আশঙ্কা সেই জলাবদ্ধতা থেকেই যাবে। 

বিএডিসি (সেচে) বটিয়াঘাটা উপজেলার মাগুরখালী, কলাতলা, কাটাখালী, গোগের খাল, দাকোপ উপজেলার পানখালী, ডুমুরিয়া উপজেলার কালীঘাট ও পাইকগাছা উপজেলার নাবার খাল খননের উদ্যোগ নেয়। জেলার দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস ইউনিয়নে ডোলভাঙ্গা থেকে কাটবুনিয়া ও রংপুর ইউনিয়নে কৃষ্ণনগর থেকে সাড়া তলা পর্যন্ত খাল খননের উদ্যোগ নেয়।

বিএডিসি (সেচ) এ বাবদ ৫ কোটি টাকা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্ধ করে। খনন প্রক্রিয়া শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজনিত কারণে ডিজেলের সংকট দেখা দেয়। বিএডিসির খালগুলো খননে চৌদ্দটি স্কেভেটর কাজ করে । প্রতিটি স্কেভেটের প্রতি ঘন্টার জন্য ১৪ লিটার ডিজেলের প্রয়োজন ছিল। দৈনিক ১৫ ঘন্টা খননের জন একটি স্কেভেটরের ২১০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। ২শ লিটার তেলের মুল্য ২০ হাজার টাকা হলেও মার্চ এপ্রিল ২৭ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়। তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান চাহিদা অনুযায়ি বিএডিসিকে জ্বালানী দিতে পারেনি। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে প্রতিটি স্কেভেটরের জন্য দৈনিক ১৬৮ লিটার জ্বালানী প্রয়োজনের কথা উল্লেখ্য করে জেলা প্রশাসকের কাছে দাপ্তরিক পত্র পাঠায়। 

বিএডিসি (সেচ) এর সহকারি প্রোকৌশলী মো. জাহিদ হাসান জ্বালানী সংকটের কথা মৌখিকভাবে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। তিনি জেলা প্রশাসনকে বলেন, গ্রামাঞ্চলে যে পরিমান জ্বালানী মজুদ রয়েছে তাতে প্রতিটি স্কেভেটর ১-২ ঘন্টার বেশি চলতে পারে না। বর্ষা মৌসুমের আগে খনন শেষ না হলে প্রকল্প ব্যর্থ হবে তিনি সংশ্লিষ্টদেরকে অবহিত হবে।

জেলা ত্রাণ পুনর্বাসন আব্দুল করিম ডুমুরিয়ার দুটি খাল অতি দরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসুচির আওতায় খনন করা হচ্ছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে অবহিত করেন। বলেন, ২৪ এপ্রিল খাল খনন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জ্বালাণী সংকট ও অসময়ে বৃষ্টির কারনে স্বাভাবিক খনন প্রক্রিয়া ব্যহত হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি খনন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদারকি করছেন। খনেন পর মাটি ব্যবহার উপযোগী ও বৃক্ষরোপন ইউনিয়ন পর্যায়ের এ কমিটি সম্পন্ন করবে। প্রকল্প সম্পন্নের পথে বাধ সেধেছে অসময়ের বৃষ্টি। 


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত