বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারের পেতে রাখা তিনটি স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৪ মে) সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঘুমধুম পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক জাফর ইকবাল।
নিহতরা হলেন অংক্যমং তঞ্চঙ্গ্যা (৪০), চিংক্ষ্যং তঞ্চঙ্গ্যা (৩২) এবং চপোচিং তঞ্চঙ্গ্যা ওরফে লেরাইয়া (৩৫)। তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় কাজ করার সময় আগে থেকে সীমান্তে পেতে রাখা স্থলমাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় নিহতদের কোমর থেকে শরীরের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা সীমান্তবর্তী এলাকায় চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারের পেতে রাখা তিনটি স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৪ মে) সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঘুমধুম পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক জাফর ইকবাল।
নিহতরা হলেন অংক্যমং তঞ্চঙ্গ্যা (৪০), চিংক্ষ্যং তঞ্চঙ্গ্যা (৩২) এবং চপোচিং তঞ্চঙ্গ্যা ওরফে লেরাইয়া (৩৫)। তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় কাজ করার সময় আগে থেকে সীমান্তে পেতে রাখা স্থলমাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় নিহতদের কোমর থেকে শরীরের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা সীমান্তবর্তী এলাকায় চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন