সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় অবস্থিত বেলকুচি মডেল কলেজ-এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসনে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-এর সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠ ১০ শিক্ষকের তালিকা থেকে তিন সদস্যের প্যানেল তৈরি করার নিয়ম থাকলেও তা অনুসরণ না করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হোসেন নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করে তালিকা প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আল-মামুন আফরিন জাহান-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। একইসঙ্গে তিনি গভর্নিং বডির সভাপতির কাছেও বিষয়টি অবহিত করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দীর্ঘ সময় ধরে একই ব্যক্তির হাতে থাকার বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ। বর্তমানে শামীম হোসেন ২০২৪ সাল থেকে ওই পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বিধিমালা অনুসরণ করেই প্রয়োজনীয় তালিকা প্রেরণ করেছেন।
এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় শিক্ষাঙ্গনে এ ঘটনাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় অবস্থিত বেলকুচি মডেল কলেজ-এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসনে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-এর সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠ ১০ শিক্ষকের তালিকা থেকে তিন সদস্যের প্যানেল তৈরি করার নিয়ম থাকলেও তা অনুসরণ না করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হোসেন নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করে তালিকা প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আল-মামুন আফরিন জাহান-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। একইসঙ্গে তিনি গভর্নিং বডির সভাপতির কাছেও বিষয়টি অবহিত করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দীর্ঘ সময় ধরে একই ব্যক্তির হাতে থাকার বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ। বর্তমানে শামীম হোসেন ২০২৪ সাল থেকে ওই পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামীম হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বিধিমালা অনুসরণ করেই প্রয়োজনীয় তালিকা প্রেরণ করেছেন।
এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় শিক্ষাঙ্গনে এ ঘটনাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন