নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতে একজন নিহত এবং অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়া, ভবনের ওপর গাছ ভেঙে পড়া এবং পোল্ট্রি ফার্মের ঘর উড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে পুরো উপজেলায় আতঙ্ক ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের লালুর কান্দি এলাকায় বজ্রপাতে সামাদ (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়।
নিহত সামাদ ওই এলাকার মৃত আকরাম উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে সামাদ, ইউসুফ আলী ও ইসমাইল বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে কাজ করতে যান। কাজ চলাকালে হঠাৎ আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায় এবং শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি দেখে তারা কাজ বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছানোর মুহূর্তে আকস্মিক বজ্রপাত হলে তিনজনই গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সামাদকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ইউসুফ আলী ও ইসমাইলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
এদিকে ঝড়ের তাণ্ডবে আড়াইহাজার পৌরসভার উত্তরাংশে একটি বড় গাছ ভেঙে একটি ভবনের ওপর পড়ে। এতে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একজন আহত হন বলে জানা গেছে। এছাড়া প্রবল বাতাসে একটি পোল্ট্রি ফার্মের ঘর উড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে খামার মালিকের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
দুর্যোগের পর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং রাস্তায় গাছ পড়ে যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
বজ্রপাতে সামাদের মৃত্যুর ঘটনায় লালুর কান্দি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানান, সামাদ ছিলেন পরিশ্রমী ও সাদাসিধে একজন কৃষক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে।
সচেতন মহল বলছে, বর্ষা মৌসুম ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কৃষিজমি বা খোলা মাঠে কাজ করার সময় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতে একজন নিহত এবং অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়া, ভবনের ওপর গাছ ভেঙে পড়া এবং পোল্ট্রি ফার্মের ঘর উড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে পুরো উপজেলায় আতঙ্ক ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের লালুর কান্দি এলাকায় বজ্রপাতে সামাদ (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়।
নিহত সামাদ ওই এলাকার মৃত আকরাম উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে সামাদ, ইউসুফ আলী ও ইসমাইল বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে কাজ করতে যান। কাজ চলাকালে হঠাৎ আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায় এবং শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি দেখে তারা কাজ বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছানোর মুহূর্তে আকস্মিক বজ্রপাত হলে তিনজনই গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সামাদকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ইউসুফ আলী ও ইসমাইলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
এদিকে ঝড়ের তাণ্ডবে আড়াইহাজার পৌরসভার উত্তরাংশে একটি বড় গাছ ভেঙে একটি ভবনের ওপর পড়ে। এতে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একজন আহত হন বলে জানা গেছে। এছাড়া প্রবল বাতাসে একটি পোল্ট্রি ফার্মের ঘর উড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে খামার মালিকের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
দুর্যোগের পর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং রাস্তায় গাছ পড়ে যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
বজ্রপাতে সামাদের মৃত্যুর ঘটনায় লালুর কান্দি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানান, সামাদ ছিলেন পরিশ্রমী ও সাদাসিধে একজন কৃষক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে।
সচেতন মহল বলছে, বর্ষা মৌসুম ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কৃষিজমি বা খোলা মাঠে কাজ করার সময় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন