নারায়ণগঞ্জে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে প্রশাসনের ভূমিকা। ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির মাধ্যমে সত্য প্রকাশকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে তারা মনে করেন, মামলা দিয়ে কখনো সত্যকে থামিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সত্য প্রকাশ আজও কিছু অসাধু ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সাবেক ফতুল্লা থানার ওসি মান্নানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তারা।
অভিযোগে বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে ওসি মান্নান ধর্ষক, প্রতারক ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে বিভিন্ন সময়ে পক্ষপাতমূলক ও মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন। এছাড়া সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ফতুল্লা থানায় দায়িত্ব পালনকালে এক মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ভাঙচুর ও দখলের চেষ্টার ঘটনায় তারা কোনো ন্যায়বিচার পাননি। এমনকি সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠকদের অপহরণ, নির্যাতন, অশ্লীল ভিডিও ধারণ এবং অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় থানায় অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের।
এছাড়া অপহরণের পর এক ভুক্তভোগীকে উদ্ধার না করায় তাকে হত্যার শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। মামলার পরও অভিযুক্তদের গ্রেফতারে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—ওসি মান্নান আদৌ তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছিলেন কি না।
বর্তমানে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সংশ্লিষ্ট পরিবার ও স্থানীয়রা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে প্রশাসনের ভূমিকা। ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির মাধ্যমে সত্য প্রকাশকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে তারা মনে করেন, মামলা দিয়ে কখনো সত্যকে থামিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সত্য প্রকাশ আজও কিছু অসাধু ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সাবেক ফতুল্লা থানার ওসি মান্নানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তারা।
অভিযোগে বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে ওসি মান্নান ধর্ষক, প্রতারক ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে বিভিন্ন সময়ে পক্ষপাতমূলক ও মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন। এছাড়া সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ফতুল্লা থানায় দায়িত্ব পালনকালে এক মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ভাঙচুর ও দখলের চেষ্টার ঘটনায় তারা কোনো ন্যায়বিচার পাননি। এমনকি সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠকদের অপহরণ, নির্যাতন, অশ্লীল ভিডিও ধারণ এবং অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় থানায় অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের।
এছাড়া অপহরণের পর এক ভুক্তভোগীকে উদ্ধার না করায় তাকে হত্যার শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। মামলার পরও অভিযুক্তদের গ্রেফতারে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—ওসি মান্নান আদৌ তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছিলেন কি না।
বর্তমানে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সংশ্লিষ্ট পরিবার ও স্থানীয়রা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন