ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ: আহত ১২



রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ: আহত ১২
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বরুনা এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১১ মে) বিকেলে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ সময় আশপাশের কয়েকটি ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ মে নাওড়া-ইছাখালী সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে সাইড দেওয়া নিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের ভাই আমিন হোসেনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের বাকবিতণ্ডা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার মীমাংসার জন্য সোমবার বরুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের সভাপতিত্বে একটি গ্রাম্য সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উভয়পক্ষ নিজ নিজ সমর্থকদের নিয়ে উপস্থিত হয়।

একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় রামদা, ছুরি, লাঠিসোঁটা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে ৩ থেকে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয়পক্ষ একে অপরের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নারী ও শিশুরা ছোটাছুটি করতে থাকে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন (৩৫), মোমেন খাঁ (২৮) ও অপু মিয়া (২২)-কে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “পরিকল্পিতভাবে বিল্লাল হোসেন ও তার সমর্থকরা আমাদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণ করেছে।”

অন্যদিকে বিল্লাল হোসেন দাবি করেন, “রফিকুল ইসলামের সমর্থকরাই সালিস বৈঠকে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে।”

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ: আহত ১২

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বরুনা এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১১ মে) বিকেলে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ সময় আশপাশের কয়েকটি ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ মে নাওড়া-ইছাখালী সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে সাইড দেওয়া নিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের ভাই আমিন হোসেনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের বাকবিতণ্ডা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার মীমাংসার জন্য সোমবার বরুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের সভাপতিত্বে একটি গ্রাম্য সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উভয়পক্ষ নিজ নিজ সমর্থকদের নিয়ে উপস্থিত হয়।

একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় রামদা, ছুরি, লাঠিসোঁটা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে ৩ থেকে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয়পক্ষ একে অপরের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নারী ও শিশুরা ছোটাছুটি করতে থাকে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন (৩৫), মোমেন খাঁ (২৮) ও অপু মিয়া (২২)-কে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “পরিকল্পিতভাবে বিল্লাল হোসেন ও তার সমর্থকরা আমাদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণ করেছে।”

অন্যদিকে বিল্লাল হোসেন দাবি করেন, “রফিকুল ইসলামের সমর্থকরাই সালিস বৈঠকে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে।”

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত