কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী বালুখেকো, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের মৈশারচর গ্রামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অগ্নিদগ্ধ বাড়িঘর পরিদর্শনকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, “অপরাধীরা যে দলের বা মতেরই হোক, তাদের কোনো ছাড় নেই, কোনো ক্ষমা নেই।” তিনি দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় তিনি বলেন, নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অপরাধীদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
ড. মারুফ বলেন, “মৈশারচরের হামলার ভয়াবহ দৃশ্য অত্যন্ত মর্মান্তিক। যেখানে মানবিক মূল্যবোধ সম্পূর্ণভাবে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
তিনি আরও বলেন, চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন একটি নদীবেষ্টিত ও নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত দ্বীপাঞ্চল হলেও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও দুর্ভোগের শিকার। দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এলাকাবাসী নানা বঞ্চনার মধ্যে রয়েছে। ইতোমধ্যে রামপ্রসাদের চর ও বড়াইকান্দি গ্রামের সঙ্গে উপজেলা সদরের যোগাযোগ স্থাপনে সেতু নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে। পর্যায়ক্রমে চালিভাঙ্গা, নলচর ও মৈশারচরসহ আশপাশের এলাকায় রাস্তা ও সেতু নির্মাণের মাধ্যমে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, “চালিভাঙ্গা ইউনিয়নে মাদক, নদীতে চাঁদাবাজি এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, নদীবেষ্টিত এই সুন্দর দ্বীপাঞ্চলকে পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাই করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হতে পারে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “সবার সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় চালিভাঙ্গা ইউনিয়নকে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম, মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রমিজউদ্দিন লন্ডনী, সদস্য সচিব এম.এম মিজানুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক দিলারা শিরীন, অধ্যাপক শহীদুল্লাহ, আতাউর রহমান ভূঁইয়া, আবদুল গাফফার, আবু ইউসুফ নয়ন ও জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী বালুখেকো, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের মৈশারচর গ্রামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অগ্নিদগ্ধ বাড়িঘর পরিদর্শনকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, “অপরাধীরা যে দলের বা মতেরই হোক, তাদের কোনো ছাড় নেই, কোনো ক্ষমা নেই।” তিনি দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় তিনি বলেন, নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অপরাধীদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
ড. মারুফ বলেন, “মৈশারচরের হামলার ভয়াবহ দৃশ্য অত্যন্ত মর্মান্তিক। যেখানে মানবিক মূল্যবোধ সম্পূর্ণভাবে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
তিনি আরও বলেন, চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন একটি নদীবেষ্টিত ও নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত দ্বীপাঞ্চল হলেও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও দুর্ভোগের শিকার। দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এলাকাবাসী নানা বঞ্চনার মধ্যে রয়েছে। ইতোমধ্যে রামপ্রসাদের চর ও বড়াইকান্দি গ্রামের সঙ্গে উপজেলা সদরের যোগাযোগ স্থাপনে সেতু নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে। পর্যায়ক্রমে চালিভাঙ্গা, নলচর ও মৈশারচরসহ আশপাশের এলাকায় রাস্তা ও সেতু নির্মাণের মাধ্যমে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, “চালিভাঙ্গা ইউনিয়নে মাদক, নদীতে চাঁদাবাজি এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, নদীবেষ্টিত এই সুন্দর দ্বীপাঞ্চলকে পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাই করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হতে পারে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “সবার সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় চালিভাঙ্গা ইউনিয়নকে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম, মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রমিজউদ্দিন লন্ডনী, সদস্য সচিব এম.এম মিজানুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক দিলারা শিরীন, অধ্যাপক শহীদুল্লাহ, আতাউর রহমান ভূঁইয়া, আবদুল গাফফার, আবু ইউসুফ নয়ন ও জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন