নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাউল শিল্পী ক্লাবকে ঘিরে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। একদিকে কবরস্থান এবং অন্যদিকে মসজিদের মাঝখানে গড়ে ওঠা এই ক্লাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি, সামাজিক ও ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট করে এমন কার্যক্রম দ্রুত বন্ধ করতে হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা স্টুডিয়াম বাউল শিল্পী ক্লাবকে কেন্দ্র করে রাতভর নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, “এক পাশে কবরস্থান, অন্য পাশে মসজিদ। এমন একটি পবিত্র পরিবেশের মাঝে এসব কার্যক্রম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
এদিকে, ক্লাবের অনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় এক সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চানঁ মিয়া নামের এক ফ্যাসিস্ট ভক্তের বিরুদ্ধে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ওই সাংবাদিক ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে একজনকে সরাসরি আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর আলম জানান, “অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তবে জিডির পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক ও স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের প্রশ্ন— একজন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি হুমকির শিকার হন, তাহলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে?
এদিকে সাধারণ মানুষও এই বাউল ক্লাব দ্রুত বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রচ্ছায়ায় ক্লাবটির কার্যক্রম চলছে। তাই প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাউল শিল্পী ক্লাবকে ঘিরে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। একদিকে কবরস্থান এবং অন্যদিকে মসজিদের মাঝখানে গড়ে ওঠা এই ক্লাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি, সামাজিক ও ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট করে এমন কার্যক্রম দ্রুত বন্ধ করতে হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা স্টুডিয়াম বাউল শিল্পী ক্লাবকে কেন্দ্র করে রাতভর নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, “এক পাশে কবরস্থান, অন্য পাশে মসজিদ। এমন একটি পবিত্র পরিবেশের মাঝে এসব কার্যক্রম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
এদিকে, ক্লাবের অনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় এক সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চানঁ মিয়া নামের এক ফ্যাসিস্ট ভক্তের বিরুদ্ধে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ওই সাংবাদিক ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে একজনকে সরাসরি আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর আলম জানান, “অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তবে জিডির পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক ও স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের প্রশ্ন— একজন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি হুমকির শিকার হন, তাহলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে?
এদিকে সাধারণ মানুষও এই বাউল ক্লাব দ্রুত বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রচ্ছায়ায় ক্লাবটির কার্যক্রম চলছে। তাই প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন