নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা এক পলাতক আসামিকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে রূপগঞ্জ থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মঙ্গলবার (৫ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃত আসামি শামীম মিয়া (৪২) হত্যা, মাদক ও অস্ত্রসহ ডজনখানেক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি এবং তিনি রূপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, ভোরে চনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শামীম মিয়াকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তবে খবর ছড়িয়ে পড়লে তার সমর্থক ও স্থানীয় দুর্বৃত্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে।
হামলাকারীরা পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানের চাকা কেটে দেয়, ভাঙচুর চালায় এবং পুলিশের ব্যবহৃত ওয়াকিটকি ও দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। একই সঙ্গে হাতকড়াসহ শামীম মিয়াকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন—রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন, এসআই রৌশন আলী, এসআই সিরাজুল ইসলাম, এসআই নাজিম উদ্দিন, কনস্টেবল আব্দুস সামাদ ও শাহদাৎ হোসেন। তাদের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে শামীম মিয়ার স্ত্রী সাথী আক্তারসহ ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে গোলাম কিবরিয়া, দাদন মিয়া, ইমরান হোসেন, সাব্বির হোসেন, ইউনুস আলী, ইউসুফ মিয়া, সুমন মিয়া, শফিকুল ইসলাম, আজগর আলী, রুহুল আমীন ও আফছার উদ্দিন রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, হামলায় ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশ যৌথ অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে, রূপগঞ্জ থানার এসআই ইউনুস আলী খান বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে ৪০ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
বর্তমানে চনপাড়া এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত আছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা এক পলাতক আসামিকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে রূপগঞ্জ থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মঙ্গলবার (৫ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃত আসামি শামীম মিয়া (৪২) হত্যা, মাদক ও অস্ত্রসহ ডজনখানেক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি এবং তিনি রূপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, ভোরে চনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শামীম মিয়াকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তবে খবর ছড়িয়ে পড়লে তার সমর্থক ও স্থানীয় দুর্বৃত্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে।
হামলাকারীরা পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানের চাকা কেটে দেয়, ভাঙচুর চালায় এবং পুলিশের ব্যবহৃত ওয়াকিটকি ও দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। একই সঙ্গে হাতকড়াসহ শামীম মিয়াকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন—রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন, এসআই রৌশন আলী, এসআই সিরাজুল ইসলাম, এসআই নাজিম উদ্দিন, কনস্টেবল আব্দুস সামাদ ও শাহদাৎ হোসেন। তাদের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে শামীম মিয়ার স্ত্রী সাথী আক্তারসহ ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে গোলাম কিবরিয়া, দাদন মিয়া, ইমরান হোসেন, সাব্বির হোসেন, ইউনুস আলী, ইউসুফ মিয়া, সুমন মিয়া, শফিকুল ইসলাম, আজগর আলী, রুহুল আমীন ও আফছার উদ্দিন রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, হামলায় ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশ যৌথ অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে, রূপগঞ্জ থানার এসআই ইউনুস আলী খান বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে ৪০ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
বর্তমানে চনপাড়া এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত লিখুন