“সবার জন্য স্বাস্থ্য ও নারীর অধিকার রক্ষায় মিডওয়াইফ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক নার্সেস ও মিডওয়াইফ দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় হাসপাতাল চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে স্বাস্থ্যকর্মী, নার্সিং শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন স্তরের অংশগ্রহণকারীরা অংশ নেন।
দিবসটি উপলক্ষে হাসপাতাল মিলনায়তনে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। এতে হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নার্সিং স্টাফরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. নূর মো. শামসুল আলম, নার্সিং বিভাগের ইনচার্জ দিপক কুমার দত্ত, নার্সিং ইন্সট্রাক্টর ফরিদা পারভিন, দিল পেয়ারা ও সপ্না আক্তার খাতুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
বক্তারা বলেন, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মিডওয়াইফদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তাদের দক্ষতা উন্নয়নে আরও উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এদিকে, শোভাযাত্রায় প্রায় ৩০০ জন মিডওয়াইফ ও নার্সিং শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন, যা অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
“সবার জন্য স্বাস্থ্য ও নারীর অধিকার রক্ষায় মিডওয়াইফ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক নার্সেস ও মিডওয়াইফ দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় হাসপাতাল চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে স্বাস্থ্যকর্মী, নার্সিং শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন স্তরের অংশগ্রহণকারীরা অংশ নেন।
দিবসটি উপলক্ষে হাসপাতাল মিলনায়তনে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। এতে হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নার্সিং স্টাফরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. নূর মো. শামসুল আলম, নার্সিং বিভাগের ইনচার্জ দিপক কুমার দত্ত, নার্সিং ইন্সট্রাক্টর ফরিদা পারভিন, দিল পেয়ারা ও সপ্না আক্তার খাতুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
বক্তারা বলেন, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মিডওয়াইফদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তাদের দক্ষতা উন্নয়নে আরও উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এদিকে, শোভাযাত্রায় প্রায় ৩০০ জন মিডওয়াইফ ও নার্সিং শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন, যা অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

আপনার মতামত লিখুন