নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় নিজ বাবা-মায়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে পারভেজ (৩০) নামে এক যুবককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আসাদুর রহমান এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত পারভেজ উপজেলার ছোট বিনাইরচর গ্রামের বাসিন্দা মোশাররফ খানের ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ থেকে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওপর বিভিন্ন অজুহাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।
বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
মঙ্গলবার সকালে এ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
আদালত চলাকালীন পারভেজ তার অপরাধ স্বীকার করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় দ্রুত বিচার হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, এ ধরনের শাস্তি পারিবারিক নির্যাতন রোধে দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পারিবারিক সহিংসতা ও সামাজিক অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় নিজ বাবা-মায়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে পারভেজ (৩০) নামে এক যুবককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আসাদুর রহমান এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত পারভেজ উপজেলার ছোট বিনাইরচর গ্রামের বাসিন্দা মোশাররফ খানের ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ থেকে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওপর বিভিন্ন অজুহাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।
বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
মঙ্গলবার সকালে এ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
আদালত চলাকালীন পারভেজ তার অপরাধ স্বীকার করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় দ্রুত বিচার হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, এ ধরনের শাস্তি পারিবারিক নির্যাতন রোধে দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পারিবারিক সহিংসতা ও সামাজিক অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন