চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম সুমাইয়া আক্তার জামিলা (১৯)। তিনি একই ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং রিপন আলী নামে এক ব্যক্তির স্ত্রী। রিপন আলী ওই এলাকার আলমগীর কবিরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়া আক্তারের মৃত্যুর ঘটনাকে প্রথমে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করা হয়। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; বরং এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সুমাইয়ার ওপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালানো হচ্ছিল।
ঘটনার পর থেকেই স্বামী রিপন আলীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। এতে ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান,
“সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম সুমাইয়া আক্তার জামিলা (১৯)। তিনি একই ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং রিপন আলী নামে এক ব্যক্তির স্ত্রী। রিপন আলী ওই এলাকার আলমগীর কবিরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়া আক্তারের মৃত্যুর ঘটনাকে প্রথমে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করা হয়। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; বরং এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সুমাইয়ার ওপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালানো হচ্ছিল।
ঘটনার পর থেকেই স্বামী রিপন আলীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। এতে ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান,
“সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন