ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং

জেলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ১১ বছরের শিশুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা



জেলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ১১ বছরের শিশুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুর এলাকায় ১১ বছর বয়সী শিশু হোসাইনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।

নিহত হোসাইন (১১) কুতুবপুর থানার শিয়ারচর এলাকার তক্কার মাঠে আব্দুল আজিজের বাড়ির ভাড়াটিয়া সুমন ও রোকসানার সন্তান। জীবিকার তাগিদে সে তার বাবার সঙ্গে শহরে ফুল বিক্রি করত। গত ১৮ এপ্রিল তারিখ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সে নিখোঁজ হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, তদন্তে উঠে আসে যে কুতুবপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন বাঁশঝাড় এলাকায় অবস্থানরত কয়েকজন কিশোর এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত। তারা পূর্ব থেকেই মাদকাসক্ত ছিল এবং এর আগেও জেল খাটার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মূলত পুনরায় জেলে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই তারা এই হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা শিশুটিকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে গলা চেপে ধরে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। পরে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করা হয়।

ঘটনার পর কুতুবপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোট ৬ জন কিশোরকে গ্রেফতার করে। অভিযানে ফতুল্লা থানার উপ-পরিদর্শক আবু রায়হান নুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো— ইমন (১৮), সাইফুল (১৬), তানভীর (১৭), ইমন (১৫), হোসাইন (১৪) ও রাহাত (১৩)। এদের মধ্যে ৪ জন এজাহারনামীয় আসামি এবং ২ জন তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার হয়। ইতোমধ্যে একজন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং আরও একজন পলাতক রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জেলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ১১ বছরের শিশুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুর এলাকায় ১১ বছর বয়সী শিশু হোসাইনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।

নিহত হোসাইন (১১) কুতুবপুর থানার শিয়ারচর এলাকার তক্কার মাঠে আব্দুল আজিজের বাড়ির ভাড়াটিয়া সুমন ও রোকসানার সন্তান। জীবিকার তাগিদে সে তার বাবার সঙ্গে শহরে ফুল বিক্রি করত। গত ১৮ এপ্রিল তারিখ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সে নিখোঁজ হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, তদন্তে উঠে আসে যে কুতুবপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন বাঁশঝাড় এলাকায় অবস্থানরত কয়েকজন কিশোর এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত। তারা পূর্ব থেকেই মাদকাসক্ত ছিল এবং এর আগেও জেল খাটার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মূলত পুনরায় জেলে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই তারা এই হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা শিশুটিকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে গলা চেপে ধরে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। পরে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করা হয়।

ঘটনার পর কুতুবপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোট ৬ জন কিশোরকে গ্রেফতার করে। অভিযানে ফতুল্লা থানার উপ-পরিদর্শক আবু রায়হান নুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো— ইমন (১৮), সাইফুল (১৬), তানভীর (১৭), ইমন (১৫), হোসাইন (১৪) ও রাহাত (১৩)। এদের মধ্যে ৪ জন এজাহারনামীয় আসামি এবং ২ জন তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার হয়। ইতোমধ্যে একজন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং আরও একজন পলাতক রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত